ফের সমালোচনায় ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর!

“চিকিৎসার নামে ব্যবসা করলে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে” এমন বক্তব্য দিয়ে আবারও সমালোচনার জন্ম দেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান। এই নিয়ে তৃতীয়বারের মত আলোচনায় আসলেন তিনি।

২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভারে ‘রানা প্লাজা’ ধসে পড়ার পর আহতদের ফ্রি চিকিৎসা সেবা দিয়ে দেশ-বিদেশে বিশেষ সুনাম অর্জন করে আওয়ামী লীগের নজর কাড়েন ডা. এনামুর। পরে ২০১৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তালুকদার তৌহিদ জং মুরাদকে মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত করে ঢাকা-১৯ আসন সংসদ সদস্য হয়ে সমালোচিত হন এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. এনামুর।

এরপর সংসদ সদস্য হওয়ার প্রায় সাড়ে ৩ বছর পর আবারও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় তার বক্তব্য ছাপার সূত্র ধরে বিতর্কিত হন আওয়ামী লীগের এই প্রতিমন্ত্রী।

জাতীয় দৈনিক ওই পত্রিকাটি “ঢাকা-১৯ এ নতুন হিসাব-নিকাশ, ৫ জনকে ক্রসফায়ারে দিয়েছি, ১৪ জনের লিস্ট করেছি” শিরোনামে একটি খবর প্রকাশের পর ফের আলোচনায় এসেছিলেন আওয়ামী লীগের এই নেতা।

এবার ক্ষমতাসীন সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী হওয়ার পর তৃতীয়বারের মত সমালোচনায় আসলেন তিনি।

আজ সকালে সাভারের একটি সেমিনারের বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম প্রকাশ করলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার জন্ম নেয়।

তিনি বলেছেন, চিকিৎসার নামে কোনো হাসপাতাল যদি ব্যবসা খুলে বসে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের ফেসবুক পেজে দেখা গেছে ডা এনামুরের এই বক্তব্য  নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য।

আহমেদ রিফাত নামে একজন লিখেছেন, কিন্তু স্যার আপনার প্রতিষ্ঠিত এনাম মেডিকেল হাসপাতালে ফি পরিশোধ না করলে লাশ ও ফেরত দেওয়া হয় না। এ বিষয়ে আপনি কি বলবেন?

তা সীন নানা ভাই নামে একজন লিখেছেন, যারা হাসপাতাল দেয় তারা ব্যাবসার করার জন্য দেয়, মানুষের সেবার জন্য নয়। নামে ব্যাবসা আসল কাজ হলো সাধারণ মানুষ কে নিয়া খেলা করা।

মাহমুদ মন্জু লিখেছেন, ব্যবসা অন্য কাউকে করতে দেওয়া হবেনা শুধু আপনি করবেন, তাই তো?

উল্লেখ্য, গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরপর তিনবার ভুল অপারেশনে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। কিন্তু বিল পরিশোধ না হওয়ায় লাশ আটকে রাখে হাসপাতাল কতৃপক্ষ। পরে তিন লাখ টাকা আদায় করে লাশ ফিরিয়ে দেয়।

Comments

comments