এক ইউনিয়নে জামায়াতের যে জনসমর্থন, বিকল্পধারার সারাদেশেও তা নেই-ডা. তাহের

সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোঃ তাহের।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদের সদস্য ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, জাতি নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়, ২০ দলীয় জোটও তা-ই চায়। সে জন্য ঐক্যফ্রন্টের জন্য শুভকামনা এবং এই প্রক্রিয়াকে জামায়াত স্বাগত জানায়। আমরা বিএনপির সাথে ২০ দলীয় জোটে আছি। সে জোট অটুট আছে, থাকবে। আমাদের নতুন সময়ের সাথে আলাপকালে জামায়াতের সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী ফোরাম নির্বাহী পরিষদের অন্যতম এ সদস্য আরো বলেন, বিএনপি আলাদাভাবে যেকারও সাথে জোট করতে পারে। জোট আমরাও করতে পারি অন্য কারও সাথে, এতে সমস্যা আছে বলে জামায়াত মনে করে না। শুধু বিএনপি নয় এর সাথে বিভিন্ন সামাজিক-পেশাজীবী সংগঠন ও ব্যক্তি যুক্ত হচ্ছেন। নির্বাচন সামনে রেখে জোট হয়ে থাকে, যা অন্যান্য দেশেও হয়। এটা একটা নির্বাচনী জোট।

এক প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, বিএনপি ২০ দলীয় জোটের প্রধান দল। জামায়াত এই জোটের অন্যতম শরিক দল এবং বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রাজনীতিক শক্তি। জামায়াতকে নিয়ে তো আলোচনা হবেই। এতো জুলুম-নির্যাতন, হত্যা-গুমের পরও জামায়াত আলোচনায় আছে, এর কারণ হচ্ছে জামায়াতের প্রতি জনগণের ভালোবাসা। অনেক অপপ্রচারের পরও জামায়াত মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছে, জামায়াতকে নিয়ে বেড়েছে সাধারণ মানুষের আগ্রহ।

বি. চৌধুরীর ঐক্যফ্রন্ট থেকে চলে যাওয়া প্রসঙ্গে ডা. তাহের বলেন, তিনি একজন প্রবীণ ও উচ্চশিক্ষিত রাজনীতিক এবং আমাদের শ্রদ্ধেয়। তিনি নিজেকে নিজেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন, নিজের সম্ভাবনা নিজে নষ্ট করেছেন। একটি ইউনিয়নে জামায়াতের যে জনসমর্থন রয়েছে, সারাদেশে বিকল্পধারার সেই সমর্থনও নেই। এসব হিসেব করে কথাবার্তা বলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, জামায়াত চায় নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সবার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হোক। কোনো আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে সেটা সম্ভব নয়। জামায়াত নির্বাচন করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। যে যে আসনে আমরা নির্বাচন করতে চাই, সেসব আসনে আমাদের প্রার্থীরা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন। অতীতেও আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচন করেছি, এবারও করবো। কি প্রতীকে নির্বাচন করবো এখনও ঠিক হয়নি, অচিরেই পরিস্কার হয়ে যাবে। নির্বাচন যে জোটবদ্ধভাবেই হচ্ছে সেটা নিশ্চিত বলা যায়।

Comments

comments