আফগান মুজাহিদিনদের সাথে কাটানো ছুটির কয়েকদিন

টেনের হাই উইকমের বাসিন্দা জন ইংল্যান্ডের সঙ্গে সত্তরের দশকে সম্পর্কচ্ছেদ হয়ে গিয়েছিল তার আফগান প্রতিবেশী রাহমাতুল্লাহ সাফির সঙ্গে। ১৯৮৮ সালে রাহমাতুল্লাহ জনকে আফগানিস্তানের এক যুদ্ধ ক্ষেত্রে বেরাতে যাবার নিমন্ত্রন জানান, এরপর তারা বেরিয়ে পড়েছিলেন এক অন্যরকম যাত্রায়। তিন সপ্তাহের সেই ভ্রমনে জন দিনপঞ্জি লিখছিলেন, আর ছবি তুলেছিলেন প্রচুর। রাহমাতুল্লাহ ছিলেন আফগান সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল। দেশে ক্যু হবার পর তিনি পালিয়ে যুক্তরাজ্যে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি দেশে ফিরে মুজাহিদিন সদস্যে পরিনত হন।

মুজাহিদিন, রাহমাতুল্লাহ
মুজাহিদিনদের সঙ্গে বসে আছেন রাহমাতুল্লাহ
মুজাহিদিন, রাহমাতুল্লাহ
রাহমাতুল্লাহকে মুজাহিদিনরা খুবই সম্মান করত, তার সঙ্গে ভ্রমনের সময় জন প্রচুর আফগান মানুষের সঙ্গে কথা বলেছে
আফগান উর্বর উপত্যকা এবং জনশূণ্য সমতল, পাহাড়ের খাঁজে পোড়া রুশ গাড়ী এবং পোড়া বাড়ীঘর দেখা যাচ্ছে
জনের তোলা ছবিতে আফগান উর্বর উপত্যকা এবং জনশূণ্য সমতল, পাহাড়ের খাঁজে পোড়া রুশ গাড়ী এবং পোড়া বাড়ীঘর দেখা যাচ্ছে
আফগানিস্তানের যানবাহন
ঐ সময়ে আফগানিস্তানের যানবাহন বলতে ছিল হয় উজ্জল রঙা ট্রাক, বেশির ভাগ সময় সেসময় হত রাশিয়ার তৈরি, অথবা টয়োটা জীপ
জন লক্ষ্য করেছিলেন মুজাহিদিনরা অস্ত্র হাতে বা কোন যুদ্ধে যাবার আগে, ছবি তোলার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী ছিল
জন লক্ষ্য করেছিলেন মুজাহিদিনরা অস্ত্র হাতে বা কোন যুদ্ধে যাবার আগে, ছবি তোলার ব্যাপারে বেশ আগ্রহী ছিল
অনেক ছবিই পেশাওয়ারে প্রসেস করেছিলেন জন, ৩০ বছরে যেগুলোর অনেকগুলোই এখন ফ্যাকাশে হয়ে গেছে
অনেক ছবিই পেশাওয়ারে প্রসেস করেছিলেন জন, ৩০ বছরে যেগুলোর অনেকগুলোই এখন ফ্যাকাশে হয়ে গেছে
মুজাহিদিনরা নাচগান করছেন
সেই ভ্রমনে পাকিস্তান সীমান্তে জাজির এক ক্যাম্পে জন দেখেছিলেন মুজাহিদিনরা নাচগান করছেন, যা তিনি একেবারেই আশা করেননি সেইসব রুক্ষ যোদ্ধাদের কাছে
ট্যাংকের ওপর জন ইংল্যান্ড
ট্যাংকের ওপর জন ইংল্যান্ড

Comments

comments