কোটা আন্দোলনের আরেক নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে গড়ে ওঠা আন্দোলনের আরেক নেতাকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তিনি মাহফুজ খান, কোটা আন্দোলনের প্লাটফর্ম বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক। এর আগে পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ খানকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠে। পরে পুলিশ তাকে তথ্য প্রযুক্তি আইনে গ্রেফতার দেখায়।

স্বজন এবং সহপাঠীদের অভিযোগ, আজ রোববার দুপুরে মিরপুর ১৪ নম্বরের ভাসানটেক বাজার এলাকার মজুমদার রোডের ১৪ নম্বর বাসা থেকে মাহফুজ খানকে তুলে নিয়ে যায় সাদা পোশাকে পুলিশ। মাহফুজ রাশেদের সঙ্গে একই বাসায় ছিলেন। তবে এখনও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাহফুজকে আটকের বিষয়ে কিছুই জানায়নি।

এবিষয় জানতে চাইলে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মানুন একুশে টিভি অনলাইনকে মুঠোফোনে বলেন, দুপুর ১২টার পর মিরপুরে রাশেদের বাসা থেকে মাহফুজকে তুলে নিয়ে যায়। রাশেদের সঙ্গে একই বাসায় মাহফুজ খানও অবস্থান করছিলেন। পুলিশ তাদের দু’জনকে একসঙ্গে তুলে নিয়ে যায়।

এর আগে, রাশেদ খান নিজে তার ফেসবুক একাউন্ট থেকে লাইভে এসে তাকে তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন।

প্রসঙ্গত, গতকাল শনিবার বেলা ১১ টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনে কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা জড়ো হলে সেখানে হামলা চালানো হয়। কোটা আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছাত্রলীগ এ হামলা চালিয়েছে। এতে পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক নুরুল হক নুর গুরুত্বর আহত হন। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল ও পরে বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। যদিও ছাত্রলীগ হামলায় দায় স্বীকার করেনি।

Comments

comments