চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি পার্বত্য চট্টগ্রাম

চাঁদাবাজদের কাছে জিম্মি পার্বত্য চট্টগ্রাম। বাড়ির মুরগি বিক্রি থেকে শুরু করে, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা উন্নয়ন কাজ; কোনো কিছুই সম্ভব নয় চাঁদা ছাড়া; না দিলে দিতে হয় জীবন। তাই ভয়ে কেউ অভিযোগও করেন না।

শান্তি চুক্তির দুই দশক পরও পাহাড়ী জনপদে চাঁদা দিতে হয়, যেমনটা দিতে হত চুক্তির আগে।

পার্বত্য চট্টগ্রামে নিত্যদিনের পথচলা নির্ভর করে এসব চাঁদার টোকেনের ওপর। যার হাতে টোকেন নেই, তিনি অচল। ফলমূল, বাঁশ বিক্রি থেকে শুরু করে ব্যবসা বাণিজ্য, সব কিছুতেই চাঁদা দিতে হয়।

সড়ক, ব্রিজ, কালভার্ট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণে চাঁদা দিতে হয় বাজেটের ৫ থেকে ১০ শতাংশ। গাছের প্রকারভেদে প্রতি সিএফটি কাঠের জন্য ২০ থেকে ৪০ টাকা। প্রতি ট্রাক বাঁশ ৫০০ থেকে ৭০০ টকা। কলা, হলুদ, সবজি ও ধান-চাল ট্রাক প্রতি ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা। প্রতি গবাদি পশুতে ৩০ থেকে ১০০ টাকা। পরিবহন পাসের জন্য বছর প্রতি ১ থেকে ১৫ হাজার টাকা। বিভিন্ন ধরণের ব্যবসার পাস নিতে বছরে দিতে হয় ১ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা। শিল্প পাশের জন্য চাঁদার হার বছরে ১০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা।

স্থাণীয় প্রশাসন বলছে, চাঁদার বিষয়টি এই অঞ্চলে একটা রীতিতে পরিণত হয়েছে।

চাঁদাবাজির বিষয়ে আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে একটি দলের বক্তব্য পাওয়া গেছে। বাকীরা কথা বলতে রাজি হয়নি।

এই চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ পার্বত্যবাসী।

সূত্র: চ্যানেল টুয়েন্টিফোর

Comments

comments