বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা, ব্যবসায়ীদের মাথায় হাত

প্রচণ্ড বৃষ্টি বাগড়া বসিয়েছে চট্টগ্রামের ঈদ বাজারের বেচাবিক্রিতে। টানা তিন দিনের বৃষ্টির পাশাপাশি জলাবদ্ধতার কারণে মানুষ ঘর থেকে বের হতে না পাওয়ার কারণে বেচা-বিক্রি অর্ধেকে নেমে এসেছে।

দিনে বৃষ্টি কম থাকলেও সন্ধ্যার পর বৃষ্টি হওয়ায় ক্রেতারা মার্কেটমুখী না হওয়ার কারণে ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে বলে জানায় বিভিন্ন মার্কেটের দোকানের মালিকরা।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারিতে অবস্থিত খাঁজা স্টোরের মালিক মো. সালাউদ্দিন বলেন, টানা বৃষ্টি শুরুর হওয়ার আগে প্রতিদিন দোকানে বিক্রি হতো ১ থেকে দেড় লাখ টাকা। বৃষ্টি থাকায় গেলো তিনদিন বিক্রি করতে পেরেছি মাত্র ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা।

চট্টগ্রামের টেরি বাজার ব্যবসায়ী সমিতর সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ আব্দুল মান্নান বলেন, টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে বিক্রিতে ধস নেমেছে। আমরা সারাবছর ঈদে পোশাক বিক্রির অপেক্ষায় থাকি। রোজার শেষদিকে বেচা-বিক্রি বাড়ার কথা থাকলেও এবার গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বেচাবিক্রি নেই বললেই চলে।

তিনি আরও বলেন, উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীরা টেরিবাজার থেকে কাপড় ক্রয় নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন মার্কেটে বিক্রি করে থাকেন। রোজার শেষদিকে এসে ব্যবসায়ীরা তাদের অর্থ পরিশোধ করে থাকে। কিন্তু এবার উপজেলাগুলোতেও পানি উঠে যাওয়ার পাশাপাশি অতি বৃষ্টির কারণে বেচাবিক্রি তেমন নেই। তাই তারাও আমাদের অর্থ পরিশোধ করতে পারছে না।

চট্টগ্রাম রিয়াজউদ্দিন বাজারের সিটি মার্কেটের মালিক বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে গত তিনদিন ধরে ক্রেতার সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। ঈদের বাকি আছে দুই থেকে তিনি দিন। এরকম অবস্থা চলতে থাকলে এবার আমাদের ঈদটা মাটি হয়ে যাবে।

এদিকে, চট্টগ্রাম হালিশহর এলাকায় বসবাসকারী একটি বেসরকারী ব্যাংকের কর্মকর্তা নোমান আব্দুল্লাহ বলেন, গত তিনদিন ধরে পানিবন্ধি হয়ে বসে আছি। ঈদের অনেক কিছু কেনাকাটার এখনো বাকি রয়েছে। কিন্তু বাসার নিচে পানি থাকার কারণে বাসা থেকে মার্কেটে যেতে পারছি না।

Comments

comments