ছাত্রলীগের সন্ধিতে হচ্ছে ইবির নিয়োগ বোর্ড

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সাথে সন্ধি করে বন্ধ হওয়া বোর্ডের তারিখ দিয়েছে প্রশাসন। দলীয় আর নিজেদের প্রার্থীদের নিয়োগ দিতে প্রশাসনের সাথে তারা সমঝোতা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকালন রোববার দুপুরে বোর্ড করার বিষয়ে অলিখিত সন্ধি করেছে ছাত্রলীগ। পরে ১১টি বিভাগ ও অফিসের বন্ধ হওয়া শিক্ষক-কর্মকর্তা নিয়োগ বোর্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

সূত্র মতে, গত ৭ই মে ছাত্রলীগ ও বহিরাগত চাকরী প্রত্যাশীদের আন্দোলনে নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করে প্রশাসন। দাবি পুরণ না করায় ওই দিন ৪টি বিভাগ ও ১টি অফিসের নিয়োগ বোর্ড স্থগিত করতে বাধ্য হয় প্রশাসন।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও বহিরাগতদের চাকরী দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় আন্দোলনে নামেন তারা। একই সাথে ওই বোর্ডে ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিনের ভাগ বাটোয়ারা কম হওয়ায় নেতা-কর্মী নিয়ে বোর্ড স্থগিতের ডাক দেয়। পরে জরুরী সভায় বোর্ড বন্ধ করেন ভিসি ড. রাশিদ আসকারী। এর পর গত ২৭শে মে আবারো নিয়োগ বোর্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। তবে ছাত্রলীগ প্রশাসনের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়ার অলিখিত সন্ধি করেছে বলে জানা গেছে।

গতকাল দুপুরে প্রশাসনের সাথে বিশেষ সভায় তারা নিয়োগের বিষয়ে নিজেদের দেনা-পাওনা ঠিক করে বোর্ড করার পক্ষে মত দেয়। তাদের মধ্যে নিয়োগ নিয়ে শর্তারোপ আর চুক্তির সমঝোতা হওয়ায় নিয়োগ বোর্ড করতে দেবে বলে কথা হয়েছে। তবে ছাত্রলীগ সভাপতির দাবি এখনো তাদের সাথে সকল বিষয়ে সমঝোতা হয়নি। ফলে তারা আগামীকাল মঙ্গলবার প্রশাসনের সাথে মিটিং করবে। গতকাল বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ৮টি বিভাগ আর ৩টি অফিসের নিয়োগ নির্বাচনী বোর্ড করার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস.এম আবদুল লতিফ।

সন্ধির বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন বলেন, আমরা গতকাল বসেছিলাম। আমার মনে হয় বোর্ড হবেনা। এখনো সব বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ সমাধান হয়নি। আগামীকাল আবার আমরা বসবো। সেখানে ফাইনাল ডিসিশন হবে। এখন পর্যন্ত প্রশাসন নিজেদের মতেই সব করছে।

Comments

comments