মাদ্রাসা সুপারের মাথায় মল ঢেলে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জামায়াতের

দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও নেসারাবাদ বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আবু হানিফাকে আটক করে প্রকাশ্যে তার মাথায় মল ঢেলে দিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনার সাথে জড়িত জাতীয় পার্টির নেতা জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারী জেনারেল ও সাবেক এমপি জনাব হামিদুর রহমান আযাদ আজ ১৫ মে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, “বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার সুপার ও নেসারাবাদ বায়তুল আমান জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আবু হানিফাকে আটক করে তার মাথায় প্রকাশ্যে মল ঢেলে দিয়ে তাকে লাঞ্ছিত করার ঘটনার আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একজন সম্মানিত আলেমের সাথে এ ধরনের কুরুচিপূর্ণ ও অসম্মানজনক আচরণের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানা গিয়েছে যে, মাদ্রাসার জমি দখলে বাধা দেয়া এবং মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির নির্বাচনে পরাজিত হয়ে জাতীয় পার্টির নেতা জাহাঙ্গির আলম খন্দকার ও তার সহযোগীরা মাদ্রাসার সুপার এবং পেশ ইমাম মাওলানা আবু হানিফার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাঞ্ছিত করেছে। একজন আলেমে দীনকে এভাবে অপমানিত করার ঘটনায় দেশের আলেম সমাজ এবং ধর্মপ্রাণ জনগণ বিক্ষুব্ধ ও মর্মাহত। কোন সুস্থ বিবেকবান লোক এ ধরনের অন্যায় কাজ করতে পারে না। এ ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিরা পশুর চেয়েও অধম।
এ ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত করে ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি।”

Comments

comments