‘৭শ কোটি’ বিতর্কে খালেকের ইউটার্ণ!

অবশেষে ‘৭০০ কোটি টাকা’ থেকে সরে এলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। রোববার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি ৭০০ কোটি টাকা নয়, প্রকল্পের কথা বলেছি। বিএনপির নেতাকর্মীরা আমার বক্তব্যকে বিকৃত করেছে।

এর আগে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, নির্বাচনী প্রচারের সময় একাধিক সভা-সমাবেশে মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক বলেছেন, ২০১৩ সালে কেসিসির মেয়র পদ থেকে পদত্যাগের সময় প্রায় ৭০০ কোটি টাকা রেখে গিয়েছিলেন তিনি।

পরে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় তুমুল আলোচনা-সমালোচনা। গত কয়েক দিন ধরে ভোটারসহ সাধারণ মানুষের আলোচনার অন্যতম খোরাকে পরিণত হয় এটি। এতে নড়েচড়ে বসেন কেসিসির বর্তমান মেয়র মনিরুজ্জামান মনিও।

শনিবার সিটি কর্পোরেশনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভোটারদের কাছে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের উত্থাপিত কেসিসির আর্থিক তথ্য সঠিক নয়। সাবেক মেয়র ২০১৩ সালে পদত্যাগের সময় কেসিসির ক্যাশ ভোল্টে দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ব্যাংকে ৯৫ কোটি ৬২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ টাকা ৭৩ পয়সা স্থিতি ছিল। কিন্তু নির্বাচনের মাঠে তিনি ৭০০ কোটি টাকা রেখে যাওয়ার প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এ বিষয়ে রোববার তালুকদার আবদুল খালেক সাংবাদিকদের বলেন, আমি নির্বাচনী বক্তৃতায় বলেছি, দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্প রেখে এসেছি।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, কেসিসি দাঁড়িয়ে আছে বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ভিতের ওপর। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হয়েছে বিএনপির সাবেক মেয়র শেখ তৈয়বুর রহমানের আমলে। স্কুল কলেজ, বেশির ভাগ রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ আজকের খুলনা গড়ে উঠেছে বিএনপির মেয়রদের সময়।

অথচ ঢালাওভাবে আওয়ামী লীগ বিএনপির জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে।

Comments

comments