আন্দোলনে যারা ছিল সবার ছবি টবি সংরক্ষণ করা আছে : শেখ হাসিনা

সরকারি চাকরিতে কোটা থাকছে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ নিয়ে আর আলোচনারও কিছু নেই।

বুধবার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “তারা কোটা চায় না, তাদের দাবি মেনে নিয়েছি। এখন আর আলোচনার কী আছে?

“তারা কোটা চায় না, এতে ক্ষুব্ধ হওয়ার কী আছে? এই আন্দোলন, এই সংগ্রাম মেনে নিয়েছি। সব কোটা বন্ধ।”

সরকারি চাকরিতে কোটা ৫৬ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের এক পর্যায়ে গত ১১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী সংসদে কোটা বাতিলের কথা বলেন।

কোটা সংস্কার নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পেলে সঙ্গে সঙ্গে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত বলে জানিয়ে আসছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; তবে প্রজ্ঞাপন না পেয়ে হতাশ আন্দোলনকারীরা।

এরপর গত ২৭ এপ্রিল আন্দোলনকারী নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরলে তার ঘোষণা কীভাবে কার্যকরে ‘স্বল্প সময়ের মধ্যে’ প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্নকর্তা সাংবাদিক মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা রাখার গুরুত্ব গুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন কোটার কথা বলছেন। তখন ছাত্রদের থামাতে চেষ্টা করেননি। এই আন্দোলনের সঙ্গে কারা মিশে যাচেছ, সেটা তো কাউকে বলতে দেখিনি। তখন আপনাদের সোচ্চার হতে দেখেনি।”

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলে আসছেন, কোটা সংস্কারের আন্দোলনের পেছনে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধন রয়েছে।

কোটা সংস্কারের আন্দোলনের পেছনে কারা রয়েছে, তাদের পরিচয় খুঁজে বের করতে বলেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।

এখন জেলা কোটা না থাকলে আন্দোলনকারীদের কেউ পরে চাকরি না পেয়ে তা চাইলে তা পাবেন না বলেও ইঙ্গিত দেন প্রধানমন্ত্রী।

“আন্দোলনে যারা যারা আছে, তাদের ছবি টবি সংরক্ষণ করা আছে, তখন যদি কান্নাকাটি করে, তখন দেখা যাবে।”

Comments

comments