জামায়াত নেতা আতাউর রহমানের জানাযা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর, রাজশাহী মহানগরীর সাবেক আমীর, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আতাউর রহমানের জানাযা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকাল ৫টা ৩০ মিনিটে রাজশাহী তেরখাদিয়া স্টোডিয়াম মহিলা কমপ্লেক্সে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাযায় ইমামতি করেন, বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মাওলানা আব্দুল হালিম।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়র মিজানুর রহমান মিনু, জামায়াত ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারি অধ্যাপক তাসনিম আলম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনেরর মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল, জামায়াত ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর আমীর-প্রফেসর আবুল হাশেম, রাজশাহী মহানগরী আওয়ামীলীগ এর সেক্রেটারি ডাবলু সরকার,বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের সেক্রেটারি ড. মো:রেজাউল করিম, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সেক্রেটারি খালেদ মাহমুদ, কেন্দ্রীয় শিক্ষা সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কলেজ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, চাপাইনবাবগঞ্জ পৌর সভার মেয়র নজরুল ইসলাম, রাজশাহী মহানগরী শিবির সভাপতি মনিরুল ইসলাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবির সভাপতি লাবীব আব্দুল্লাহ। কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি-অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, বিএনপির রাজশাহী মহানগরীর সেক্রেটারি এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। কেন্দ্রীয় মজলিশ শূরার সদস্য- মাওলানা আব্দুর রহিম, রাজশাহী মহানগরী নায়েবে আমীর, এডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, পাবনা জেলা আমীর- আবু তালেব মন্ডল, নওগা পূর্ব জেলা আমীর- খন্দকার আব্দুর রাকীব, জয়পুরহাট জেলা আমীর ফজলুর রহমান সাঈদ, সিরাজগঞ্জ জেলা আমীর- শাহীনুর আলম, নওগা জেলা আমীর অধ্যাপক বেলালুজ্জমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা নায়েবে আমীর ও সাবেক এমপি লতিফুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিশ শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির ও মোকাররম হোসাইন, কেন্দ্রীয় মজলিশ শূরার সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য নাজিম উদ্দিল মোল্লাসহ রাজশাহীর বিভিন্ন পেশার মানুষ।

জানাযা পূর্ব সমাবেশে বক্তারা বলেন, জনাব আতাউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শিক্ষাবিদ হিসেবে দেশ ও জাতির বিরাট খেদমত করে গিয়েছেন। রাজশাহী মহানগরীসহ উত্তরাঞ্চলে ইসলামী আন্দোলনের উন্নতি ও অগ্রগতির জন্য তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে গেছেন। আওয়ামীলীগ সরকারের রোষানলে পড়ে তাকে বার বার জুলুম নির্যাতন ও কারাবরণ করতে হয়েছে। কিন্তু তিনি জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে আপোষহীন ভূমিকা পালন করে গিয়েছেন। তিনি অত্যন্ত সাদাসিধে জীবন-যাপন করতেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেনর। তিনি একজন সত্যিকার জনদরদী নেতা ছিলেন।

Comments

comments