৪ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

কক্সবাজারের চকরিয়ায় আবারও র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে ধর্ষণ মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। তাঁর নাম রহিম উদ্দিন। গতকাল শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি চকরিয়া উপজেলার বদরখালীতে র‍্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে আনু মিয়া নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনিও ওই এলাকার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলার আসামি ছিলেন।

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৭ কক্সবাজার কার্যালয়ের অধিনায়ক মেজর মো. রুহুল আমিন বলেন, গতকাল রাতে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারার উলুবনিয়া এলাকায় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র‌্যাবের গুলিবিনিময় হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে রহিম উদ্দিন (২০) নামের এক যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ, একটি একনলা বন্দুক, তিনটি গুলি ও দুটি গুলির খালি খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন বলেন, গত ২৬ মার্চ দুপুরে রহিম উদ্দিন বরই দেওয়ার নাম করে পাঁচ বছরের এক শিশুকে ফুসলিয়ে নির্মাণাধীন একটি বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটি জ্ঞান হারালে রহিম উদ্দিন পালিয়ে যান। এক থেকে দেড় ঘণ্টা পর শিশুটির জ্ঞান ফিরলে সে কাঁদতে কাঁদতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। কেন কাঁদছে জানতে চাইলে সে তার মাকে বিষয়টি জানায়। এ সময় শিশুটির প্রচুর রক্তপাত হয়। তাকে দ্রুত চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকেরা কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তর করেন। গত ২৭ মার্চ শিশুটিকে সার্জারি বিভাগে নেওয়া হয়।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় গত ২৮ মার্চ রাতে শিশুটির দাদা বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি মামলা করেন। এরপর থেকে রহিম উদ্দিনকে খোঁজা হচ্ছিল। তবে গত গতকাল রাতে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে র‍্যাবের গুলিবিনিময়ের পর রহিমের লাশ পাওয়া গেছে।

ওসি বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

৩৯ দিনের ব্যবধানে আরেকটি ধর্ষণ মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে মারা গেলেন।

Comments

comments