নির্বাচনে হেরে গিয়ে আ’লীগ নেতার কাণ্ড

নীলফামারীর ডিমলায় জনতা ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির নির্বাচনে হেরে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা কলেজের আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ।

রোববার রাত ৮টার দিকে উক্ত কলেজের গভর্নিং বডির অভিভাবক সদস্য পদের নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপর এ ঘটনা ঘটেছে।

জানাগেছে, ওই নির্বাচনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরা হলেন, গণতন্ত্রি পার্টির উপজেলা সভাপতি আব্দুল মজিদ, খগাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি হামিদুল ইসলাম ও সহ-সভাপতি শফিকুল ইসলাম এবং একই ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনিছুর রহমান। নির্বাচনে অভিভাবক ভোটার ১ হাজার ২০৯ জনের মধ্যে ভোট প্রদান করেন ৬৬৫ জন। এর মধ্যে ভোট পেয়েছেন আব্দুল মজিদ ৪৮২ টি, শফিকুল ইসলাম ৪৫৩টি, আনিছুর রহমান ৩৮৩টি ও হামিদুল ইসলাম ৩৬৫টি।

ওই কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আফতাব হোসেন বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা শেষে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং অফিসারসহ অন্যরা চলে যাওয়ার পরপরই নির্বাচনের হেরে যাওয়া পরাজিত প্রার্থী হামিদুল ইসলাম ও তার ছেলে, জামাতাসহ বেশকিছু লোকজন অফিস কক্ষে হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে কলেজের ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও স্ক্যানিং মেশিন লুটপাট করে নিয়ে যায়। এতে কলেজের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। এ ঘটনায় আমি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছি।

অভিযুক্ত হামিদুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, কলেজের হেরে যাওয়ার পর আমার সমর্থকরা গোণ্ডগোল করার চেষ্টা করলে আমি সেখানে গিয়ে বাধা দেই। পরে পুলিশ এসে আমাকে ও আমার পুত্রকে মারধর করে এতে আমি আহত হয়ে ডিমলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করি।

আজ সোমবার দুপুরে সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল, ডিমলা থানার ওসি মোয়াজ্জেম হোসেন, ওসি (তদন্ত) মফিজ উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সহকারী পুলিশ সুপার জয়ব্রত পাল সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি ন্যাক্কারজনক কলেজের ব্যবস্থপনা কমিটিতে হেরে গিয়ে ভাংচুর করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

Comments

comments