চবিতে পুলিশের সাথে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, লাগাতার অবরোধের ডাক

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) এ ছাত্রলীগের দুই গ্রুপে সংঘর্ষের জেরে আবাসিক হলে পুলিশী তল্লাশী ও নেতা-কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদ এবং প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরীর পদত্যাগ দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবরোধের ডাক দিয়েছে চবি ছাত্রলীগের একাংশ।

অবরোধ কর্মসূচি আহবানকারীরা নগর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক ও সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের অনুসারী বলে পরিচিত।

আজ মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারী) সকালে এ অবরোধের ডাক দেয়া হয়।

এদিকে দুপুরে ছাত্রলীগ প্রক্টরের পদত্যাগ দাবী করে তার অফিস কক্ষে তালা লাগাতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হলে পুলিশ লাঠিচার্জ করে। পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এসময় ৬ রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।

পুলিশের লাঠিচার্জে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসময় পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জে রিয়াজ মুন্না আহত হয়েছেন। বর্তমানে তাকে চবি মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে।

এর আগে অবরোধকারীরা দুপুর ১২ টার কিছু পরে মূল ফটক বন্ধ করে অবস্থান নেয়।

এ দিকে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চললে বিভিন্ন বিভাগ ও ইনিস্টিটিউটে ক্লাস -পরীক্ষা চলছে। তবে উপস্থিতির হার অন্যদিনের চেয়ে কিছুটা কম ছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক কমিটির উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ইকবাল হোসেন টিপু। তিনি বলেন, গতকালের ঝামেলার পর আমরা নিজেরা বসে সমাধান করে ফেলছি। কিন্তু রাতের ১২ টা থেকে খোর ৪ টা পর্যন্ত হলে ডুকে ছাত্রদের নির্যাতন ও বেশ কয়েকজন কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এর প্রতিবাদে ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবীতে আমাদের এই সর্বাত্মক ও অনির্দিষ্টকালের অবরোধ।

তবে ছাত্রলীগ একাংশের ডাকা এ অবরোধের চবির মূল ছাত্রলীগ সম্পৃক্ততা বলে জানিয়েছেন সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজন। তিনি বলেন, এই অবরোধে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর লিটন মিত্র জানান,এ বিষয়ে এখনো আমরা কিছু জানি না।

Comments

comments