শিক্ষক কেন ফ্যাসিবাদী?

ঢাকা বিশ্বিবিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল

নাঈম আব্দুল্লাহ

জনসমর্থনহীন অনির্বাচিত সরকারের সাথে ফ্যাসিবাদ জিনিসটা খুব ভালোভাবেই যায়। সেখানে ক্ষমতার দম্ভ প্রকাশের ধান্দা থাকে। ক্ষমতার প্রয়োগ ও অপপ্রয়োগের ব্যাপার থাকে। প্রশাসন ব্যবহার করে গণবিক্ষোভ ঠেকানোর সুযোগ থাকে। কিন্তু একজন শিক্ষক কি ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে পারেন? শিক্ষকতার সাথে কি ফ্যাসিজমের সম্পর্ক থাকতে পারে? যারা মন, মানসিকতা, মেধা, মননে বিদ্বেষের চাষাবাদ করেন, তারা কিভাবে নিজেদের সুশীল দাবি করতে পারেন!

বলছি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামালের ব্যাপারে। তিনি শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকই নন। একশ্রেণীর বিপথগামী তরুণ ও নাস্তিক্যবাদীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা কথিত গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম পৃষ্ঠপোষকও ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তার মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফ্যাসিস্ট ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দেখে যারা অবাক ও বিব্রত হয়েছেন তাদের জন্য তার উপরোক্ত পরিচয়টি উল্লেখ করার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করলাম। শাহবাগের তথাকথিত সেই গণজাগরণকে নির্ভীক সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান ‘ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। মোটকথা, ধর্মপ্রাণ মানুষের অন্তরে কুঠারাঘাত করে কথিত অসাম্প্রদায়িক চিন্তার লালন ও প্রসারের মিশন নিয়ে যারা ফেরি করে বেড়ান, মেজবাহ কামাল তাদেরই একজন।

নাস্তিক্যবাদের সহায়ক আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আরোহনের পর থেকেই একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অধ্যয়নের অধিকার হরণের জোর প্রচেষ্টা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১১/১২ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন প্রথমবারের মত নয়টি বিভাগে মাদরাসা ছাত্রদের ভর্তি না করার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে। ভর্তি নির্দেশিকায় বাংলা, ইংরেজি, ভাষা বিজ্ঞান এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা এই চারটি বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক উভয় পরীক্ষায় বাংলা ২০০নম্বর ও ইংরেজি ২০০ নম্বরের আজগুবি শর্তারোপ করে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, উইমেন এ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ এ দু’টি বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষায় বাংলা ২০০ নম্বর ও ইংরেজি ২০০ নম্বরেও একইভাবে শর্তারোপ করা হয়।

এরপরের ইতিহাস সবার জানা। একের পর এক বিভাগ থেকে বঞ্চিত করা হয় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের। প্রশ্ন হলো কেন তাদের এ বঞ্চনা সহ্য করতে হলো? দাখিল ও আলিম স্তরে ১০০ নম্বরের বাংলা ইংরেজী থাকার পরেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সে যদি নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে ভর্তি হতে পারে তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অসুবিধা কোথায়! ভর্তি হওয়ার পর যদি সে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিলেবাসের সাথে খাপ না খাওয়াতে পারে তবে সে পরীক্ষায় খারাপ করবে। এটা ঐ শিক্ষার্থীর নিজস্ব ব্যাপার। ভালো ফল না পেলে সে ভালো চাকুরী পাবে না। এটা সহজ কথা। বিশ্ববিদ্যালয় তো শুধু সনদই দিবে। চাকুরী তো আর দিবে না!

বলে রাখতে চাই, আবহমান কাল থেকে এদেশের শিক্ষাব্যবস্থা দু’টি ধারায় চলে আসছে। একটি সাধারণ শিক্ষা, অপরটি মাদরাসা শিক্ষা। মাদরাসা শিক্ষার্থীদের সাধারণ শিক্ষার সিলেবাসের প্রায় সকল বিষয়ের পাশাপাশি অতিরিক্ত কুরআন, হাদীস, আরবি, ফিক্হ ইত্যাদি বিষয় অধ্যয়ন করতে হয়। তাই সাধারণ শিক্ষার বাংলা ও ইংরেজি ২০০ নম্বরের সিলেবাসকে অক্ষুন্ন রেখেই মাদরাসা শিক্ষায় তা ১০০ নম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার তা জেনেই দাখিল ও আলিমকে যথাক্রমে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি’র সমমান প্রদান করেছে। তাই বাংলা ও ইংরেজিতে শুধুমাত্র ১০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে বলেই মাদরাসা শিক্ষার্থীরা এতে দুর্বল; বিষয়টি মোটেই সত্য নয়। ইতঃপূর্বে মাদরাসা শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় বাংলা ও ইংরেজিতে সর্বোচ্চ মার্কস পেয়েছে। ইংরেজি ভার্সনে পরীক্ষা দিয়ে ডিপার্টমেন্টে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হয়েছে। এ ধরণের পরিসংখ্যান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শিক্ষকমন্ডলীর কারো নিকট অস্পষ্ট নয়। এরপরও ২০০ নম্বরের শর্তারোপ হাজার হাজার প্রতিভাবান ও সম্ভাবনাময়ী শিক্ষার্থীদের পিছিয়ে রাখার অপকৌশল ছাড়া আর কিছুই নয়। যদি ২০০ নম্বরের ইংরেজি, বাংলা অধ্যয়নই যোগ্যতার মাপকাঠি হতো, তাহলে ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার প্রয়োজন হতো না। ১০০ নম্বরের ইংরেজি, বাংলা অধ্যয়নকারী কোন শিক্ষার্থী যদি ২০০ নম্বরের ইংরেজি, বাংলা অধ্যয়নকারীর চেয়ে ভর্তি পরীক্ষায় বেশি নম্বরও পায়, তবে ঐ শিক্ষার্থীকে বঞ্চিত করা অন্যায় নয় কি?

যাইহোক, বাংলাদেশের সংবিধানে শিক্ষাকে সকলের জন্য সমান মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তা ব্যক্তিদের যেন এসব তোয়াক্কা করার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ সংবিধানের ১৯(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে, ‘‘সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।’’ ২৮ (৩) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘‘কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জম্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরুপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।’’ ভর্তি পরীক্ষায় যে ছেলেটি বা মেয়েটি সকল ধরনের কন্ডিশন মার্কস পেয়ে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও কেন কতিপয় বিভাগে ভর্তি হতে পারবে না ? বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানের এ ধারাটি লংঘন করে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিহিংসামূলক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে পারে কি?

যতদূর অনুমান করা যায় ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল সাহেবের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ভালই জানা আছে। শিক্ষাক্ষেত্রে মুসলমানদের স্বকীয় বৈশিষ্ট্য যাতে বজায় থাকে এবং মুসলমান ছাত্ররা নিজেদের ধর্মীয় তাহজিব-তমদ্দুন রক্ষায় যেন সফল হয় সে বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখেই প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণার পর থেকে তৎকালীন একটি মহল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চরম বিরোধিতা করে আসছিল। তবে ঢাকার নবাব পরিবার বিশেষ করে নবাব সৈয়দ নওয়াব আলী তার জমিদারির একাংশ বন্ধক রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিল এবং ছাত্রদের জন্য একটি বৃত্তি তহবিল গঠন করেন। যাতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে পশ্চাৎপদ মুসলমানরা উন্নতির পথে এগিয়ে যেতে পারে।

তৎকালীন কুচক্রি মহলের নানাবিধ ষড়যন্ত্র বিশেষ করে লর্ড হার্ডিঞ্জ এর কাছে বারবার স্মারক লিপি পেশ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করলেও বাংলার কৃষক, মজুর মুসলমান সন্তানদের জন্য এটি হয়ে ওঠে উচ্চশিক্ষার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। মুসলিম জাতীয়তাবাদী চেতনার ফসল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতে মুসলমানরা বিশেষ করে যারা মুসলিম তাহজীব-তমদ্দুনের ধারক ও বাহক তাদের দাবিয়ে রাখার জন্য তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাকালীন বিরোধিদের উত্তরসূরিরা অদ্যাবধি চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। যার ফলে ২০০৮ সালের ২৭ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ মাদরাসা বোর্ড থেকে দাখিল ও আলিম পাস করা ছাত্রদের আগের তিনটিসহ মোট আটটি বিভাগে ভর্তির পথ বাধাগ্রস্ত করে। এ বছর আবার একই অজুহাতে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগে নতুন শর্তারোপ করে পূর্বের আটটিসহ সর্বমোট নয়টি বিভাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। যা বাংলাদেশের সংবিধান ও ঐ সময়কার নাথান কমিটির নিম্নোক্ত বক্তব্যের স্পষ্ট বিরোধী। নাথান কমিশনে বলা হয়-

“We do not forget that the creation of the university was largely due to the demand of the Muslim community of eastern for greater facilities for higher education.”

যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় পশ্চাৎপদ মুসলমানদের ধর্মীয় তাহজীব-তমদ্দুন রক্ষার জন্য সেহেতু এখানে মাদরাসা ছাত্রদের ভর্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন শর্তারোপ করা শ্রেণী বৈষম্যের নামান্তর এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশের সাথে সাংঘর্ষিক।

চলুন দেখে নেয়া যাক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কী বলে? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয় Dhaka University Order,1973 দ্বারা। এই আইনের ৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, The dhaka university shall be open to all parsons of either sex and of whatever religion, race, creed, class or colour”. এখানে কোন বিশেষ সম্প্রদায় বা শ্রেণীর প্রতি বৈষম্য করা হয়নি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে একমাত্র মানদন্ড নির্ধারণ করা হয়েছে মেধাকে। মেধার মূল্যায়ন পদ্ধতি হলো লিখিত ভর্তি পরীক্ষা। যেমনটি বলা হয়েছে Dhaka University Ordinances and Regulations” Gi Chapter ২ এর ৩(২) এ,

“Candidates shall be admitted on the basis of merit based on written test to be conducted by the respective unit and according to the availability of number of seats fixed by the General Admission Committee.”

অথচ মেজবাহ কামাল গংরা এই আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করে ভর্তির জন্য মূল ভিত্তি নির্ধারণ করছেন এমন একটি বিষয়কে যার উল্লেখ ভর্তি সংক্রান্ত আইনের কোথাও নেই।

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের বঞ্চনার দিকে খেয়াল করে মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড আলিমে ২০০ নম্বরের বাংলা ও ইংরেজী যুক্ত করেছে। যদিও তাতে দ্বীনি বিষয়গুলোতে ছাড় দিতে হয়েছে। যাতে কম করে হলেও ভালই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষার উদ্দেশ্য। তারপরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এই অযাচিত সিদ্ধান্ত নেয়ার কারণে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা গ্রহন ও ক্যারিয়ার গড়তে সম্ভবত ঝুকিতে ফেলতে চায়নি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড।

তাহলে প্রশ্ন থেকে যায়, এতকিছুর পরেও মেজবাহ কামালদের আক্ষেপ কমছে না কেন? কেন তারা আজও মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে বিষোদগার করেই যাচ্ছেন? অন্ধের ঢিল ছোঁড়ার মতই কেন তারা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নামে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছেন?

মেজবাহ কামাল সাহেবের দাবি অনুযায়ী ‘মাদরাসায় ছাত্রদেরকে নাম্বার দেয়া শুরুই হয় বোধহয় ৯০ থেকে। পারলে ১০০ এর মধ্যে ১০০ এর চেয়ে বেশি দিয়ে দেয়। তাই মাদ্রাসার ছাত্ররা এমনি এমনি ৮০ পেয়ে যায়। আর স্কুলে আমাদের সন্তানরা যারা পড়ে তাদেরকে অনেক সংগ্রাম করে নাম্বার পেতে হয়!’

তিনি আরও দাবি করেছেন- ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন একটি উচ্চতর মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষায় মাদরাসার ছাত্রদের সাথে কম্পিটিশন করে স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রীরা জায়গা পাচ্ছে না। আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ ভাগেরও বেশি ভর্তি হয় মাদরাসার ছাত্রছাত্রীরা। এটা কোনভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।’

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিথ্যা বিষোদগার করতে গিয়ে মেজবাহ কামাল কতটা স্ববিরোধী কথা বলেছেন তা উপরে উল্লিখিত তার মন্তব্য দুটো একজায়গায় করলেই স্পষ্ট হয়ে যায়। তাহলে কেন এই মিথ্যাচার আর বিষোদগারের ফুলঝুড়ি? উত্তরটাও সহজ। মেজবাহ কামালদের পরিচয় শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নয়, চরম বিতর্কিত ঘাদানিকের একজন নিবেদিত প্রাণ কেন্দ্রীয় সদস্যও তিনি। আর একারণেই শিক্ষকতার মত মহান পেশায় নিয়োজিত থেকেও ফ্যাসিবাদী আচরণ ছাড়তে পারেননি। কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন থেকে যায় – শিক্ষক কেন ফ্যাসিবাদী হবেন? একজন ফ্যাসিবাদী শিক্ষক তার শিক্ষার্থীদের ফ্যাসিবাদ ছাড়া আর কিছু শিক্ষা দিতে পারবেন কি?

লেখক: সাংবাদিক ও কলামিস্ট

Comments

comments