গাজীপুরে বিএনপির কর্মীসভায় পুলিশের হামলা

গাজীপুর জেলা শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে আজ রোববার দুপুরে জেলা বিএনপির যৌথ কর্মিসভা শেষে বের হওয়ার সময় পুলিশ আকস্মিক লাঠিপেটা করে। এতে অন্তত অর্ধশত বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে ২০ জনকে আটক করা হয়।

আহতদের মধ্যে জেলা বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. নাহিন আহমেদ মমতাজী (৪৫), শ্রীপুর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম মোল্লাহ (২৮),গাজীপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্রদল কর্মী ফারুক আহমদ (২৭), এরশাদ সরকার (২৫), মো. কবির (২৮) ও দীপু’র (২৫) নাম জানা গেছে।

আটককৃতদের মধ্যে গাজীপুর সদর থানা বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক মো. সোলায়মান খান, ছাত্রদল কর্মী ফারুক (২৭), এরশাদ সরকার (২৫), কবির হোসেন (২৮) ও দীপু (২৫), এর নাম জানা গেছে।

গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় সদস্য মো. মাজহারুল আলম জানান, গাজীপুর জেলা শহরের মধ্যছায়াবিথী ট্রাস্ট কমিউনিটি সেন্টারে বেলা পৌনে ১১টার দিকে জেলা বিএনপির যৌথ কর্মিসভা শুরু হয়। এতে গাজীপুরের জেলা বিএনপির সভাপতি একেএম ফজলুল হক মিলনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মো. জয়নুল আবেদীন ফারুক।

অনুষ্ঠান চলাকালেই পুলিশ পুরো কমিউনিটি সেন্টারটি ঘিরে ফেলে। পরে অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করা হয়। বেলা ১টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে নেতা-কর্মীরা সেন্টার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ আচমকা তাদের ওপর লাঠিপেটা শুরু করে। এ সময় প্রায় ২০ জন নেতা-কর্মী আহত হলে অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। অবস্থা বেগতিক দেখে বিএনপির নেতা-কর্মীরা পেছনের সীমানা প্রাচীরে থাকা ছোট গেট খুলে স্থান ত্যাগ করার সময়ও বেশ কিছু নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।

মাজহারুল আলম বলেন, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপির চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে আদালতে সম্ভাব্য রায় প্রদানকে ঘিরে দলীয় নেতা-কর্মীরা যখন সংগঠিত হচ্ছিল, তখন দলীয় নেতা-কর্মীদের একতা ও চাঙ্গা হওয়াকে দমিয়ে দিতে পুলিশ এ হামলা চালিয়েছে।

Comments

comments