আ’লীগের প্রতিপক্ষ আ’লীগ : ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আাওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ আওয়ামী লীগই। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়া-ছুড়ি বন্ধ করে একত্রে সবাই মিলে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ঘরের মধ্যে ঘর তৈরি করবেন না, মশারির মধ্যে মশারি খাটাবেন না। কোনো কোন্দল সহ্য করা হবে না বলেও তিনি নেতা-কর্মীদের হুঁশিয়ার করে দেন।

শুক্রবার সকালে মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন উপলক্ষে প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. গোলাম মহীউদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আ: সালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে আ: লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাড. সাহারা খাতুন, প্রেসিডিয়াম সদস্য আ: মান্নান, উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মুকুল বোস, দপ্তর সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ, কেন্দ্রীয় সদস্য আখতারুজ্জামান, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন এমপি, মানিকগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়, মানিকগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। এছাড়াও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, দল ও পকেট ভারী করার জন্যে খারাপ লোক দলে আনা যাবে না। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে সদস্য সংগ্রহ করতে হবে। লিখিত হিসাব দিতে হবে কতজন অন্য পার্টি করে, কতজন নিরপেক্ষ। দায়সারা গোছের কাজ করলে হবে না।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর সব সময়ই মানিকগঞ্জে বিএনপি ও অন্যরা ক্ষমতায় ছিল আর মাত্র ৯ বছর আ’লীগ ক্ষমতায় ছিল। আ’লীগ ৯ বছরে যে উন্নয়ন করেছে তারা অন্য সময়ে তার কিছুই করেনি। তাই মানুষ নৌকায়ই ভোট দিবে।

বিরোধী দলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিএনপি একটি নালিশী দলে পরিণত হয়েছে। বিএনপি ঘরে বসে ভাঙ্গা রের্কড বাজায়, যা জনগণ আর শুনতে চায় না।

২/৩জন আছে তারা পালাক্রমে ভাঙ্গা রের্কড বাজায়। আন্দোলনের ডাক দিয়ে, খালেদা জিয়া লন্ডনে। মির্জা ফখরুল একজন জোতিষী হয়েছেন, কখনো ১০ সিট আবার ৩০ সিট দেন। আন্দোলনে মরা গাঙ্গে আর জোয়ার আসে না। খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করেছে মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন আর দুদক। এখন বলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী নাকি মামলার রায় আগেই লিখে রেখেছেন।

দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, নমিনেশন সবাই চাওয়ার অধিকার আছে। তবে প্রতি ৩ মাস পর পর তাদের কর্মকান্ডের রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর নিকট যাচ্ছে। দেখে-শুনেই নমিনেশন দেয়া হবে। নিজের দলের নেতাদের সমালোচনা করে দিন পার করবেন না, কাজ করুন।

Comments

comments