অ্যালার্জি লক্ষণ ও প্রতিকার

আমরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শুধুমাত্র খাবারের অ্যালার্জি নিয়ে চিন্তা করি, কিন্তু খাবারের পাশাপাশি আবহাওয়া, বেশি ঠান্ডা/গরম, গৃহপালিত পশুপাখি, ধূলাবালি, স্প্রে, তেলাপোকা, কার্পেট, এসি, ফুল/ঘাসের রেণু ইত্যাদি এমনকি জীবন রক্ষাকারী ওষুধেও অ্যালার্জি হতে পারে। যা দিয়ে আমাদের অ্যালার্জি দেখা দেয় তাকে ডাক্তারি ভাষায় অ্যালার্জেন (Allergen) বলে; যেমন, চিংড়ী একটি অ্যালার্জেন।

খাবারের মধ্যে চীনা বাদাম, কাঠ বাদাম, চিংড়ী, দই, গরু/হাসের মাংশ, ইলিশ মাছ, গরুর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার, সয়াবিন ও সয়াজাত খাবার, কোমল পানীয়, বেগুন, পুঁইশাক, আলু, কামরাঙ্গা, আপেল, কমলা/লেবু ইত্যাদি।

তবে, লক্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে- একেক মানুষের অ্যালার্জি একেক খাবারে; যার যে খাবারে সমস্যা, সে নিজেই সেটা উপলব্ধি করতে পারে। সুতরাং লিস্ট দেখে সব খাবার বন্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই।

অ্যালার্জির লক্ষণ কি:
# শরীর চুলকানো
# হাঁচি
# নাক/চোখ দিয়ে পানি পড়া
# চোখ লাল হয়ে যাওয়া
# নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া
# কাঁশি/ শ্বাসকষ্ট হওয়া
# পেট ব্যথা, পাতলা পায়খানা
# শরীরে লাল লাল দাগ/চাকা হওয়া
# মাথাব্যথা
# বেহুঁশ হওয়া, ইত্যাদি।

কি করবেন:
* অ্যালার্জেন থেকে দূরে থাকুন।
* বাসায় কার্পেট ব্যবহার করবেন না।
* তেলাপোকা ও কিট পতঙ্গ মারার ওষুধ ব্যবহার করুন।
* তিন বছরের কম বাচ্চাদের গরুর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার দিবেন না।
* বাইরে বের হলে মুখে মাস্ক পরুন।

চিকিৎসা:
# এন্টিহিস্টামিন
# ইমুনোথেরাপি
# Anti IgE Antibody

-ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন
ইন্টার্নাল মেডিসিন ডিপার্টমেন্ট (বিএসএমএমইউ)

Comments

comments