আত্নশুদ্ধি মানব জীবনের অত্যাবশ্যকীয় অলঙ্কার

ইসহাক হায়দার

অবাধ যৌনাচার, চারিদিকে মাদকের সয়লাভ, বেহায়াপনা, উলঙ্গপনা, অপসংস্কৃতির বেড়াজাল, নারী স্বাধীনতার নামে নারী নির্যাতন, সহজলভ্য ইন্টারনেট আমাদের সমাজকে ধ্বংসের অতল গহ্বরে তলিয়ে দিচ্ছে। শিশু থেকে শুরু করে যুবক, বৃদ্ধ, নারী, পুরুষ কেউ এই ধ্বংসের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এ যেন আউয়ামে জাহেলিয়াতকেও হার মানায়।

বিশ্বব্যবস্থাপনা যথই আধুনিক হচ্ছে, মানুষের নৈতিক চরিত্র ততই নিচে নামছে। কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো একেকটা প্রেমের স্বর্গে পরিণত হয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীরা পড়ালেখার ছেয়ে বেশী সময় তাদের ছেলে ও মেয়ে বন্ধুদের পেছনে ব্যয় করছে। আমাদের শপিংমলগুলো দেখলে মনেহয় যে নারী-পুরুয়ের বিশাল মেলা। গাছতলা, বাশঁতলা, ঘলে-বাইরে হাঁটে-বাজারে অনৈতিকতা, উলঙ্গপনা, বেহায়াপনা আমাদের সমাজকে গ্রাস করছে খুব দ্রুত গতিতে।

মুসলমানরা আজ কোরআন হাদীসের শিক্ষা থেকে বহু দূরে অবস্থান করছে। আমরা ইসলামকে চার দেয়ালের মধ্যে বন্দি করে রেখেছি। অথচ ইসলাম মানুষকে দিয়েছে এক মহান জীবন ব্যবস্থা। ইসলাম জীবনের প্রতিটি বাকে বাকে মানুষকে সঠিক ও সুন্দরতম পথ বাতলে দিতে এসেছে। মানুষের ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনকে সুন্দর করতে হলে “আত্নশুদ্ধি” বা “সংস্কার” এর প্রয়োজন অপরিহারয।

প্রথম মানব হযরত আদম (আ) থেকেই মানুষ ভূল করে আসছে। সমস্ত ভূল-ত্রুটির উর্ধ্বে অস্থান করে মহান সত্তা একমাত্র আল্লাহতায়ালা। তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদত বন্দেগী করার জন্য। মানুষ আল্লাহর দেখানো পথে চলতে গিয়ে জীবনের পরতে পরতে ভূল করে বসে। মহান আল্লাহ দুনিয়াতে মানুষ কিভাবে পবিত্র ও সুন্দরতম জীবন পরিচালনা করবে তা শিক্ষা দিতে আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা)। মানবতার মহান শিক্ষক রসূলূল্লাহ আমাদের মহাগ্রন্থ আল-কোরআন ও হাদীসের মাধ্যমে উন্নত নৈতিক চরিত্র শিক্ষা দিয়েছেন।

কোরআন-হাদীসের অন্যতম শিক্ষা হলো “আত্নশুদ্ধি” বা “সংস্কার”। মানব জীবনের অন্যতম অলঙ্কার হলো “আত্নশুদ্ধি” বা “সংস্কার”। আত্নশুদ্ধির মাধ্যমে একজন মানুষ পবিত্রতম জীবন অর্জন করতে পারে। অন্ধকারচ্ছন্ন জীবন থেকে ফিরে আসার অন্যতম মাধ্যম হলো “আত্নশুদ্ধি”। আত্নশুদ্ধি একজন মানুষকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়তে সহায়তা করে।

“আত্নশুদ্ধি” সম্পর্কে আল-কোরআনের দৃষ্টিভঙ্গি:
—————————————————————–
পবিত্র আল-কোরআনে সফলতার অন্যতম শর্ত হিসেবে আত্নশুদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সূরা আ’লার ১৪,১৫ নং আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বলেন,

قَدْ اَفْلَحَ مَنْ تَزَکّٰی وَ ذَکَرَ اسْمَ رَبِّهٖ فَصَلّٰی

“সেই সফলকাম হয়েছে, যে পবিত্রতা (আত্নশুদ্ধি) লাভ করেছে ও আপন রবের নাম স্মরণ করেছে এবং তারপর নামাজ আদায় করেছে“।
এখানে সফলতার জন্য তিনটি কাজ করতে বলা হয়েছে।
(ক) নিজের আত্নাকে পরিশুদ্ধ করতে হবে।
(খ) সর্বদা মহান প্রভূর স্মরণে কর্মব্যস্ত থাকতে হবে।
(গ) সময়মত সালাত আদায় করতে হবে।

মহান আল্লাহতায়ালা পবিত্র কোরআনের অন্যস্থানে বলেন,

قَدْ أَفْلَحَ مَنْ زَكّاها وَقَدْ خَابَ مَنْ دَسَّاهَا

“অবশ্যই সেই সফলকাম হয়েছে, যে তার (নফসকে,আত্নাকে) পরিশুদ্ধ করেছে। আর সেই বিফল হয়েছে, যে তাকে দাবিয়ে দিয়েছে (প্রবৃত্তির গোলামী করেছে)”। (সূরা শাম্স-৯,১০)
এখানে নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ না করার জন্য বলা হয়েছে। যারা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য না করে নিজের নাফস বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করে তারা অবশ্যই বিফল হয়েছে।

সৃষ্টা যেহেতু সমস্ত ভূলত্রুটি এবং বিফলতার থেকে মুক্ত, তাই সৃষ্টির উচিৎ তাঁর রং বা দেখানো পদ্ধতির অনুসরণ করা, তাহলে সে সফলকাম হতে পারে। সূরা বাকারার ১৩৮ নং আয়াতে বলা হয়েছে,

صِبْغَةَ اللَّهِ ۖ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ اللَّهِ صِبْغَةً ۖ وَنَحْنُ لَهُ عَابِدُونَ

“হে রসূল, আপনি বলুন,আল্লাহর রং ধারণ কর। তাঁর রং থেকে আর কার রং বেশি সুন্দর হতে পারে ? আমরা তাঁরই দাসত্ব করে চলেছি”

ইসলামের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো “যাকাত ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা”। আর যাকাতের মাধ্যমেও মানুষ নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে পারে। আল্লাহতায়ালা তাঁর রাসূলকে যাকাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষকে পবিত্র করতে নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন,

خُذْ مِنْ أَمْوَالِهِمْ صَدَقَةً تُطَهِّرُهُمْ وَتُزَكِّيهِمْ بِهَا وَصَلِّ عَلَيْهِمْ ۖ إِنَّ صَلَاتَكَ سَكَنٌ لَهُمْ ۗ وَاللَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ

“(হে রাসূল!) আপনি তাদের মাল থেকে সদকা (যাকাত) নিয়ে তাদেরকে পবিত্র করুন, তাদেরকে (নেক পথে) এগিয়ে দিন এবং তাদের জন্য রহমতের দোয়া করুন। কেননা আপনার দোয়া তাদের জন্য সান্ত্বনার কারণ হবে। আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন“
(সূরা তাওবা-১০৩)

মহান আল্লাহ তায়ালা যুগে যুগে বহু নবী-রাসূল মানব জাতীর হেদায়েতের জন্য প্রথিবীতে প্রেরণ করেছেন। নবী-রাসূলেদের দায়িত্ব ছিলো মানব জীবনের সংস্কার সাধন এবং পরিশুদ্ধি অর্জন। শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ (সা) কেও ঠিক একই উদ্দেশ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। সূরা জুমু‘আ-২ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন,

هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ

“তিনিই সেই সত্তা, যিনি উম্মীতের মধ্যে তাদেরই একজনকে রাসূল হিসেবে পাঠিয়েছেন, যে তাদেরকে তাঁর আয়াত শোনান, তাদের জীবন পবিত্র করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দেন। অথচ এর আগে তারা সম্পষ্ট গোমরাহিতে লিপ্ত ছিলো”
এখানে আত্নশুদ্ধির জন্য কোরআনের শিক্ষাকে আবশ্যক করা হয়েছে। কোরআন এমন এক গ্রন্থ, যা মানবতাকে গোমরাহি থেকে আলোর পথে নিয়ে আসার, অপবিত্র জীবন থেকে পবিত্র জীবন উপহার দিতে এক মহান দলিল।

মহান আল্লাহ নিজের প্রবৃত্তিকে পরিশুদ্ধ করতে এবং নফসের গোলামী থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে অনেক পথ বাতলে দিয়েছেন। কেউ যদি আল্লাহর দেয়া পথে নিজেকে পরিচালিত করে, তাহলে সে অবশ্যই সফলকাম হবে। সেই কথাই কোরআন বলছে। সূরা মুজাম্মিল ৬,৭,৮ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন,

إِنَّ نَاشِئَةَ اللَّيْلِ هِيَ أَشَدُّ وَطْئًا وَأَقْوَمُ قِيلًا
إِنَّ لَكَ فِي النَّهَارِ سَبْحًا طَوِيلًا
وَاذْكُرِ اسْمَ رَبِّكَ وَتَبَتَّلْ إِلَيْهِ تَبْتِيلًا

“আসলে রাতজাগা (কাজটি) নাফসকে দমন করার জন্য খুব বেশি ফলদায়ক এবং (কুরআন) ঠিকমতো পড়ার জন্য বেশী উপযোগী। দিনের বেলা তো আপনার অনেক ব্যস্ততা আছে। আপনার রবের নামের যিকির করুন এবং সবকিছু থেকে আলাদা হয়ে তাঁরই হয়ে থাকুন”
এখানে “রাতজাগা” বলতে তাহাজ্জুত নামাজকে বুঝানো হয়েছে। মানুষ রাত জেগে ইবাদত করার মধ্যমে নিজের আত্নাকে পরিশুদ্ধ করতে পারে। বেশী বেশী রাত জেগে ইবাদত করলে সৃষ্টার সাথে মানুষের রুহানী সম্পর্ক তৈরি হয়।

আত্নশুদ্ধি সম্পর্কে আল-হাদীসের দৃষ্টিভঙ্গি :
———————————————————–
”আত্নশুদ্ধি” মানব জীবনের জন্য কত বেশী গুরুত্বপূর্ণ তা আল্লাহর রাসূলের হাদীস থেকে বর্ণনা পাওয়া যায়। হযরত নুমান ইবনে বাশীর (রা) থেকে একটি হাদীস বর্ণিত আছে, রাসূল (সা) বলেন,

“হালালা সুস্পষ্ট, হারাম সুস্পষ্ট,। আর এ দুয়ের মাঝে রয়েছে অস্পষ্ট বিষয়গুলো। অনেকেই সেগুলো জানে না। কাজেই যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয় থেকে বিরত থাকে, সে নিজের দ্বীন ও সম্মান রক্ষা করে। আর যে ব্যক্তি সন্দেহজনক বিষয়ে লিপ্ত হয়ে পড়ে, সে এমন রাখালের মতো হয়ে যায় যে, সে তার পশু সংরক্ষিত এলাকার আশে-পাশে চরায়। ফলে তা সেখানে প্রবেশ করার আশংকা সৃষ্টি হয়। শোন, প্রত্যেক বাদশাহরই সংরক্ষিত এলাকা থাকে। আরো শোন, আল্লাহর যমিনে তাঁর সংরক্ষি এলাকা হচ্ছে তাঁর নিষিদ্ধ বিষয়সমূহ। এ কথাও শোন, মানবদেহে একটি মাংসখন্ড আছে। তা ভালো থাকলে গোটা শরীর ভালো থাকে। আর তা খারাপ হয়ে গেলে গোটা শরীরটাই কারাপ হয়ে যাবে। জেনে রাখ সেটাই হচ্ছে অন্তর।
(বুখারী, মুসলিম)

মন্দ কাজ করতে করতে মানুষের অন্তর অন্ধকারে ছেয়ে যায়। মানুষের হৃদয় যখন কালো হয়ে যায় তখন পাপ কাজ করলে তার কাছে পাপ মনে হয়না। সে আস্তে আস্তে প্রবৃত্তির অনুসারী হয়ে পড়ে। সে অবস্থায় করণীয় কি হবে, আত্নশুদ্ধি কিভাবে অর্জন হবে সে সম্পর্কে হযরত আবু যর গিফারী (রা) হতে একটি হাদীস বর্ণিত হয়েছে। রাসূল (সা) বলেন,

عَنْ أَبِىْ ذَرٍّ قَالَ قَالَ لِى رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم اتَّقِ اللهَ حَيْثُمَا كُنْتَ وَ أَتْبِع السَّيِّئَةَ الْحَسَنَةَ تَمْحُهَا وَ خَالِقِ النَّاسَ بَخُلْقٍ حَسَنٍ ـ (تِرْمِذِىْ : بَابُ مَا جَاءَفِىْ مُعَاشَرَةِ النَّاسِ)

“তুমি যেখানেই থাক আল্লাহকে ভয় কর, আর মন্দ কাজ করলে তার পরপরই সৎ কাজ কর। তাহলে ভালো কাজ মন্দ কাজকে নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আর মানুষের সাথে সদ্ব্যবহার কর”। (তিরমিযী)
আলোচ্য হাদীসে নিজেকে পবিত্র বা আত্নশুদ্ধি করতে হলে তিনটি কাজ করতে হবে।
(ক) আল্লাহকে সর্বদা ভয় করে চলতে হবে। আল্লাহকে ভয় করে চললে মন্দ কাজ থেকে বিরত থাকা যায়।
মনে রাখতে হবে আল্লাহ আমাদের সবকিছু দেখছেন। তিনি সবকিছু শুনছেন।
(খ) সর্বদা ভালো কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে হবে। শয়তানের বা প্রবৃত্তির অনুসরণ করা যাবে না। কোন কারণে ভূল হয়ে গেলে সাথে সাথে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। কোনো খারাপ কাজ হয়ে গেলে বেশী বেশী আল্লাহকে স্বরণ করতে হবে এবং ভালো কাজ করতে হবে।
(গ) মানুষের সাথে সৎ আচরণের মাধ্যমেও সংস্কার বা আত্নশুদ্ধি অর্জন সম্ভব।

পবিত্র জীবন যাপন করতে হলে অবশ্যই রাসূল (সা) এর আদর্শ গ্রহণ করতে হবে। তাকে মানবতার আদর্শ হিসেবে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি আমাদেরকে বাতলে দিচ্ছেন কিভাবে আমরা গুনাহ থেকে বিরত থেকে আত্নশুদ্ধি অর্জন করবো।

ﻋَﻦْ ﺍَﺑِﻰْ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻰَ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮْﻝُ ﺍﻟﻠﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻣِﻦْ ﺣُﺴْﻦِ ﺍِﺳْﻠَﺎﻡِ ﺍﻟْﻤَﺮْﻩِ ﺗَﺮْﻛُﻪٗ ﻣَﺎ ﻟَﺎ ﻳَﻌْﻨِﻴْﻪِ ـ ‏( ﺗِﺮْﻣِﺬِﻯْ : ﺑَﺎﺏُ ﻓِﻴْﻤَﻦْ ﺗَﻜَﻠَّﻢَ ﺑِﻜَﻠِﻤَﺔٍ ﻳُﻀْﺤِﻚُ ﺑِﻬَﺎ ﺍﻟﻨَﺎﺱَ )

হযরত আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূল (সা) বলেছেন, অশোভনীয় (অনর্থক) কাজ পরিহার করা মানুষের ইসলামের সৌন্দরযের অন্তর্ভূক্ত। (তিরমিযী)

কোরআন হাদীসের জ্ঞান না থাকার কারণে মানুষ মন্দ কাজকে মন্দ মনে করছে না। পাপ করতে করতে অন্তরে আবরণ পড়ে গেছে। অনর্থক বেহুদা কাজ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমেও পবিত্রতা অর্জন সম্ভব। সে কথাই হাদীসে বর্ণিত হয়েছে।

হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমরা (বর্তমানে) এমন অনেক কাজ করে থাক সেগুলো তোমাদের দৃষ্টিতে চুল থেকেও হালকা। কিন্তু নবী (সা) এর সময়ে আমরা সেগুলোকেও ধ্বংসাত্নক মনে করতাম” (বুখারী)

সুতরাং দুনিয়াবি কল্যান ও পরকালীন মুক্তির জন্য আত্নশুদ্ধির বিকল্প নাই।

Comments

comments