বাতিলের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত করতে হবে-শিবির সভাপতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি ইয়াছিন আরাফাত বলেন, ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় ভাবে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রয়েছে। জুলুম,নির্যাতন ও অপপ্রচারের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মকে ইসলাম বিমুখ করা হচ্ছে। ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদেরকে বাতিলের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয়কে সুনিশ্চিত করতে হবে।

বুধবার সিলেট মহানগরীর এক মিলনায়তনে ছাত্রশিবির সিলেট বিভাগের শাখা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। কেন্দ্রীয় দাওয়াহ সম্পাদক শাহ মোঃ মাহফুজুল হকের পরিচালনায় সমাবেশে আরোও উপস্থিত ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সিলেট মহানগর জামায়াতের আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সিলেট-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক হাসানুল বান্না, শিক্ষা সম্পাদক রাশেদুল ইসলাম, এইচ আর ডি সম্পাদক জামশেদ আলম, পাঠাগার ও ফাউন্ডেশন সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মাদ্রাসা সম্পাদক ইমরান খালিদসহ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ।

শিবির সভাপতি বলেন, সত্য ও মিথ্যার দ্বন্দ্ব চিরন্তন। যুগে যুগে আল্লাহর সৈনিকরা সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে বাতিল শক্তি সত্যের টুঁটি চেপে ধরতে চেয়েছে। যুগে যুগে নবী রাসূলগণ পর্যন্ত বাতিলের ষড়যন্ত্র থেকে রেহাই পায়নি। বিভিন্ন সময়ে ষড়যন্ত্রের ধরণ ছিল বিভিন্ন রকম। বর্তমানে বাতিল পন্থীরা ইসলামী আন্দোলনের বিরুদ্ধে সকল প্রকার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে বাতিলের সর্বগ্রাসী ষড়যন্ত্রের অন্যতম নিয়ামক হলো জুলুম, নির্যাতন ও অপপ্রচার। সব বাতিল শক্তির উদ্দেশ্য একই আর তা হলো ইসলামী আন্দোলন থেকে ছাত্রজনতাকে দূরে রাখা। কিন্তু যারা সত্য দ্বীনের পথকে জীবনের পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা কোন ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারকে পরোয়া করেনা। সত্য উদ্ভাসিত ও মিথ্যা অস্তমিত এটি মহান আল্লাহ তায়ালার ঘোষণা। যার প্রতিফলন যুগে যুগে হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী বাতিলের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। সুতরাং যে কোন বাধা বিপত্তি মোকাবেলা করে ইসলামের বিজয় হবেই।

শিবির সভাপতি বলেন, দেশ ও জাতি আজ ছাত্রশিবিরের দিকেই তাকিয়ে আছে। দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বাতিলের নানামুখী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে জেনেই আমরা এ পথে চলতে শিখেছি। সুতরাং এ প্রত্যাশা পূরণে মানব কল্যাণের পথে কাজ করে যেতে হবে। গঠনমূলক কর্মকান্ড বৃদ্ধি করতে হবে। দেশের মানুষের কল্যাণ হয় এমন কাজে তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। বাতিলের প্রতিটি অপপ্রচারের জবাব দিতে হবে ধৈর্য সহকারে। এ ক্ষেত্রে মেধা, যোগ্যতা ও চারিত্রিক মাধূর্যতা দিয়ে আমাদের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখতে হবে। আমরা জানি এ কাজ গুলো সহজ নয় বরং পদে পদে বিপদ আসবে। কিন্তু এক্ষেত্রে দায়িত্বশীলদের সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে জাতির কল্যাণে গঠনমূলক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখতে হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সত্যের সামনে মিথ্যার পরাজয় অবসম্ভাবী।

Comments

comments