উত্তরা মেডিক্যালের ৫৭ শিক্ষার্থীর বিষয়ে আদেশ মঙ্গলবার

রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। আদালতে মেডিক্যাল কলেজের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস। রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ এম আমিন উদ্দীন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ কোটায় ভর্তিকৃত ৫৭ শিক্ষার্থীর একাডেমিক কার্যক্রমে ৩০ দিনের নিষেধাজ্ঞা দেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে ওই কলেজে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ এই পদ্ধতিতে ভর্তির প্রক্রিয়া কেন অবৈধ হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষকে আগামী ১০ দিনের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু জানান, রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিক্যাল কলেজে গত ১৪ ডিসেম্বর ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষে মেধা স্কোর অনুযায়ী ছাত্র ভর্তি না করে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টার মধ্যে ‘আগে আসলে আগে ভর্তির সুযোগ’ পাবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ওইদিন বেলা ১১টার পর তারিকুল ইসলাম নামে এক শিক্ষার্থী যার মেধা স্কোর ২৫৭, সে কলেজে গিয়ে জানতে পারে ইতোমধ্যেই ৫৭ শিক্ষার্থীর ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়ে গেছে। ভর্তির সর্বনিম্ন স্কোর ছিল ২৫০.৪৫। তারিকুলের দাবি মেধা স্কোর অনুযায়ী ভর্তি করলে সে ভর্তির সুযোগ পেত। পরে গত ২ জানুয়ারি তারিকুলের বাবা নজরুল ইসলাম আধুনিক মেডিক্যাল কলেজের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পদ্ধতি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন।

Comments

comments