দুই লাখ অভিবাসীকে দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র সরকার সোমবার সালভাদরের প্রায় দুই লাখ অভিবাসীকে দেয়া বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। ওয়াশিংটনের এমন পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেয়া শিশু নিয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত হাজার হাজার সালভাদর পরিবার দেশ ছাড়ার হুমকির মুখে পড়েছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টজেন নিলসেন মধ্য আমেরিকার এ দেশে বড় ধরণের দুটি ভূমিকম্পের ঘটনায় ২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সালভাদরের নাগরিকদের দেয়া ‘সাময়িক সুরক্ষা ব্যবস্থা’ (টিপিএস) তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন।

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য তারা ১৮ মাস সময় পাবেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এ নিয়ে সৃষ্ট আইনগত জটিলতা নিরসনে এ সময় যথেষ্ট।

ট্রাম্প টাওয়ারে আগুন

আগুন লেগেছে ট্রাম্প টাওয়ারে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় সোমবার সকাল ৭টায় নিউ ইয়র্কের দমকল বিভাগের কাছে ভবনটিতে আগুন লাগার খবর আসে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আগুন নেভানোর কাজ অব্যাহত ছিল। টিভি চ্যানেলে প্রচারিত ফুটেজে ম্যানহাটনের ফিফথ এভিনিউ ও ইস্ট ফিফটি সেভেন্থ স্ট্রিটে অবস্থিত আকাশচুম্বী ভবনটির ছাদে দমকল কর্মীদের দেখা গেছে।

দমকল বিভাগ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডটি খুব গুরুতর নয়। খুব সম্ভবত, বৈদ্যুতিক ত্রুটি থেকে এর সূত্রপাত হয়েছে। খবর পাওয়ার পর, প্রাথমিকভাবে ঘটনাস্থলে ৮৪ জন দমকল কর্মী আগুন নেভাতে পৌঁছান। কিন্তু এক ঘণ্টা পরে মাত্র কয়েকজনকেই ছাদে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, টাওয়ারটিতে বেশ কয়েকটি বাসভবন ও ব্যবসায়িক কার্যালয় রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও সেখানে বাসভবন রয়েছে। আগুন লাগার সময় তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত হোয়াইট হাউজে অবস্থান করছিলেন। – গার্ডিয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের গুরুদুয়ারায় ভারতীয় কূটনীতিকেরা নিষিদ্ধ

ভারতের কূটনীতিক এবং ভারতের স্বার্থে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত শিখদের প্রার্থনাশালা বা গুরুদুয়ারাগুলোতে যেতে পারবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের ৯৬টি শিখ গুরুদুয়ারা পরিচালনা পরিষদ এ নিষেধাজ্ঞা আরওপ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়।

তা ছাড়া খালসা আন্দোলন সূচনার বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত প্যারেডেও তাদের অংশ গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরওপ করা হয়েছে। কমিটির সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত প্রস্তাবের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রস্তাবের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ১৯৮৪ সালে ‘স্বর্ণ মন্দিরে’ (শিখ ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে পবিত্র উপাসনালয়) ভারতীয় সেনাবাহিনীর হামলা ও এরপর চালানো গণহত্যাকে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটির সংবিধানের ২৫তম ধারায় শিখদের হিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করা তাদের সম্প্রদায়ের জন্য অসম্মানজনক।

যুক্তরাষ্ট্রে শিখদের দুইটি বৃহত্তম সংগঠন শিখ কো-অর্ডিনেসন কমিটি অব ইস্ট কোস্ট (এসসিসিইসি) এবং আমেরিকান গুরুদুয়ারা প্রভাদনিক কমিটি (এজিপিসি) এ প্রস্তাবের উদ্যোগ নেয়।- এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

Comments

comments