মৌলভীবাজারে ডাবল মার্ডারে কমিউনিস্ট নেতার ছেলে জড়িত

মৌলভীবাজারে ছাত্রলীগ কর্মী মোহাম্মদ আলী শাবাব ও নাহিদ আহমদ মাহি খুনের ঘটনায় কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু জাফর আহমদের ছেলে প্রতীক হাসান জড়িত রয়েছে বলেছে পুলিশ। জোড়া খুনের ঘটনায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মী মোহাম্মদ আলী শাবাবের মা সেলিনা রহমান চৌধুরী বাদী হয়ে দায়ের করা হত্যা মামলার ৯ নাম্বার আসামী কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ আবু জাফর আহমদের ছেলে প্রতীক হাসান।

সুশীল সমাজের নেতাকর্মীরা বলেন, এরকম একজন নেতার ছেলে যদি এসব কর্মকান্ডে জড়ায় তাহলে দেশের অবস্থা কোন দিকে যাবে। তাই সবাইকে সামাজিকভাবে সচেতন হতে হবে। সন্তানরা কি করছে তার খোঁজ খবর রাখতে হবে।

গত ৭ ডিসেম্বর রাতে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে দুই ছাত্রলীগ কর্মী মোহাম্মদ আলী শাবাব ও নাহিদ আহমদ মাহিকে সরকারি স্কুল মাঠের পশ্চিম-দক্ষিণ পাশে ডেকে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

৯ ডিসেম্বর মামলায় মোট ১২ জনের নাম উল্লেখ সহ আরো ৬-৭ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। এ পর্যন্ত তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয় পুলিশ। বাকীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

নিহত মাহীর মামা ইমরান জানান, মামলা হওয়ার পরে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হয়েছে মাত্র তিনজন। কতটুকু বিচার পাবো তা নিয়ে আমরা সান্ধিহান।

নিহত শাহবাবের মামা তানভীর হাবিব চৌধুরী রুমেল বলেন, ঘটনায় প্রতীকসহ যারা সরাসরি জড়িত ছিল পুলিশ তাদের ছবি প্রকাশ করেছে। বিষয়টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়ও প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতীক হাসানের বাবা সৈয়দ আবু জাফর বলেন, এটা ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীন দ্বন্ধ। এ ঘটনায় আমার ছেলে জড়িত হওয়ার কোন কারণ নেই।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল আহাম্মদ জানান, আসামীদের গ্রেফতার করতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Comments

comments