দুর্নীতিবিরোধী সৌদি যুবরাজের ৩শ মিলিয়ন ডলারের প্রাসাদ!

দুর্নীতির বিরুদ্ধে খড়গহস্ত সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। গত নভেম্বরে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তিনি আটক করেন ১১ যুবরাজ, চার জন মন্ত্রীসহ ২০০ জনকে। এবার জানা গেলো তিনি নিজেই ৩০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে ফ্রান্সে ৬২০ একরের বিশাল বিলাসবহুল এক প্রাসাদ কিনেছেন। খবরটি দিয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস।

২০১৫ সালে ডিসেম্বরে ফরচুন ম্যাগাজিন এই বাড়িটিকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি প্রাসাদ বা ভিলা হিসেবে ঘোষণা করেছিলো। কিন্তু তখনও জানা যায়নি এই বাড়ির মালিকানা কার। গত শনিবার নিউইয়র্ক টাইমস একটি প্রতিবেদনে নিশ্চিত করেছে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই গোপনে এই প্রাসাদ ক্রয় করেছেন।

এই প্রাসাদে রয়েছে সিনেমা থিয়েটার, পানির নিচে স্বচ্ছ কাচের সভাকক্ষ, যেখানে বসে পাশ দিয়ে ভেসে যাওয়া বিভিন্ন মাছের দৃশ্য দেখতে পাবে। প্রাসাদের সকল পানির ঝর্ণা, লাইট, এয়ার কন্ডিশন আইফোন দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আছে ১০টি বেডরুম, ভিতরে বাইরে সুইমিং পুল, ২টি বলরুমসহ নাইট ক্লাব। রয়েছে বিশাল বাগান। সকল আধুনিক সুবিধা থাকলেও বাড়ির বাহিরের দিকটি ১৭ শতকে প্রচলিত ডিজাইনে তৈরি। বাড়ির সবকিছুতে রয়েছে সোনালি রংয়ের ছোঁয়া।

সৌদি সাম্রাজ্যের ভবিষ্যত অধিপতির এমন বিলাসি কেনাকাটার ঘটনা এই প্রথম নয়। ক’দিন আগে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির একটি প্রখ্যাত শিল্পকর্ম ‘সালভাদোর মুন্ডি’ ৪৫০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি হয়। শুরুতে সেটিরও মালিকের হদিস পাওয়া যায়নি। পরে জানা যায়, ঘনিষ্ঠ এক সহকর্মীর মাধ্যমে এতো দামি ছবিটি কিনছেন যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান।

এরও আগে তিনি ২০১৫ সালে ৫০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে একটি প্রমোদতরী কিনেছিলেন। সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সৌদি আরবে বিভিন্ন সংস্কার করেন, সৌদি আরবের নারীদের গাড়ি চালোনোর অনুমতিসহ সিনেমা হলের অনুমোদন দিয়েছেন।

Comments

comments