দেশের পোশাক খাতে হোঁচট, নেপথ্যে কি?

ইউরোপ-আমেরিকার বাইরে অপ্রচলিত বাজারে সুবিধা করতে পারছে না দেশের তৈরি পোশাক খাত। এজন্য রপ্তানিতে উচ্চ শুল্কের বাধা ও প্রচারণার অভাবকে বড় করে দেখছেন উদ্যোক্তারা। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সময় এসেছে আঞ্চলিক জোটবদ্ধ অর্থনীতির সুবিধা নেয়ার পাশাপাশি সম্ভাব্য দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার।

দীর্ঘদিন ধরেই বিশ্ববাজারে দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক, বাংলাদেশ। তবে, বর্তমানে ইউরোপ-আমেরিকার মতো প্রচলিত বাজারে তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্যে ব্যবসা করতে হচ্ছে দেশের পোশাক শিল্প মালিকদের। সুবিধা হচ্ছে না মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ১৫ শতাংশের যোগান দেয়া ব্রাজিল-অস্ট্রেলিয়ার মতো অপ্রচলিত বাজারেও।

গেল অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের চিত্রে দেখা যায়, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, কোরিয়া, রাশিয়া, মেক্সিকো, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্কের বাজারে কমে গেছে তৈরি পোশাকের রপ্তানি। সম্ভাবনাময় এসব বাজারে হোঁচট খাওয়ার পেছনে উচ্চ শুল্ক ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ঘাটতিসহ নানা ধরনের অশুল্ক বাধাকে দায়ী করছেন উদ্যোক্তারা।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘জাপানের মার্কেট অনেক বড়। আমাদের ইমেজটাকে যেভাবে বাড়ানোর দরকার ছিলো সেভাবে আমাদের অ্যাম্বাসি করছেনা।’

বিজিএমইএ সহ-সভাপতি বলেন, ‘সরকার এবং আমরা যদি একসঙ্গে কাজ করতে না পারি সেক্ষেত্রে রপ্তানিতে আমরা পিছিয়ে পড়বো।’

রপ্তানি আয়ের লক্ষ্য পূরণে, বাজার বহুমুখীকরণ করতে হলে পার করতে হবে শুল্ক সমস্যা। উদ্যোক্তাদের এমন দাবির সাথে একমত অর্থনীতিবিদরাও। তবে, উন্নতমানের পণ্য তৈরিতে মনোযোগ দেয়ার পরামর্শ অর্থনীতিবীদদের।

অর্থনীতিবিদদের মতে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে সুবিধা আদায়ে অবশ্যই আরও কৌশলী হতে হবে দূতাবাস ও কূটনীতিকদের।

Comments

comments