এক প্রতাপশালী মেয়রের বিদায়!

লাশবাহী অ্যাম্বুল্যান্সকে ঘিরে উৎসুক জনতার ভীড়; ইনসেটে মেয়র মহিউদ্দীন

শেষ বিদায়ে সিক্ত হলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামীলীগের দোর্দন্ড প্রতাপশালী নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) মহিউদ্দিন চৌধুরীর ষোলোশহরের চশমা হিলের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার সকালে হাসপাতাল থেকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর মরদেহ চশমাহিলের বাড়িতে নেয়া হয়।মহিউদ্দিন চৌধুরীকে শেষবার দেখতে তার বাসায় আসেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছিরউদ্দিন, সাবেক মেয়র এম মনজুর আলম, বিএনপি স্থায়ী কমিটি সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, চট্টগ্রামের সাংসদ আফসারুল আমীন, সাংসদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এমএ ছালাম, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নুরুল আলম চৌধুরীসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার বিশিষ্টজন।

উল্লেখ্য, গত ১১ নভেম্বর রাতে বুকে ব্যথা অনুভব করায় মহিউদ্দিন চৌধুরীকে চট্টগ্রামের মেহেদিবাগ ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আইসিইউতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে একরাত রাখার পর ১২ নভেম্বর দুপুরে তাকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় এনে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৬ নভেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেয়া হয়। সিঙ্গাপুরের অ্যাপোলো গি্লনিগ্যালস হসপিটালে মহিউদ্দিন চৌধুরীর এনজিওগ্রাম ও হার্টের দুটি ব্লকে রিং বসানো হয়।

১১ দিন চিকিৎসা শেষে ২৬ নভেম্বর তিনি ঢাকায় ফিরে কিডনি ডায়ালাইসিসের জন্য স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সিঙ্গাপুর ও ঢাকায় এক মাস চিকিৎসা শেষে ১২ ডিসেম্বর তিনি চট্টগ্রাম ফিরে আসেন।

এর তিন দিনের মাথায় শুক্রবার ভোররাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের অধিকারী চট্টগ্রাম আওয়ামীলীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী।

Comments

comments