সচিবালয় এলাকায় ছাত্রদলের গাড়ি ভাঙচুর

দুর্নীতির দুই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আদালতে হাজিরা শেষে সচিবালয় এলাকায় বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করেছে ছাত্রদল কর্মীরা। ওই এলাকা থেকে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির না হওয়ার পর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার সকালে তিনি পুরান ঢাকার বকশিবাজারে বিশেষ জজ আদালতে হাজির হন।

আদালতের কার্যক্রম শেষে খালেদা জিয়া গুলশান বাসভবনে ফিরে যান। আর ছাত্রদল কর্মীরা মিছিল করে আসছিল। হাইকোর্টে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের গেটের দিকে তাদেরকে ধাওয়া করে পুলিশ। এ সময় তারা সচিবালয়ের সামনে আবদুল গণি সড়কে গিয়ে গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঢাকাটাইমসের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এন এইচ সাজ্জাদ জানান, খালেদা জিয়ার গাড়ি যাওয়ার পর ছাত্রদল কর্মীরা মিছিল করে আসছিল। এ সময় পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

এরপর ছাত্রদল কর্মীরা কেউ আবদুল গণি রোডে, কেউ আশেপাশের অন্যান্য সড়কে চলে যায়। যারা সচিবালয়ের পাশে আবদুল গণি রোডে যায়, তারাই বেশ কিছু গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এই ভাঙচুর চলে জিরো পয়েন্ট এলাকা পর্যন্ত। পরে পুলিশের ধাওয়ার মুখে ভাঙচুরকারী ছাত্রদল কর্মীরা এলাকা ছেড়ে চলে যায়।

পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চের একজন কর্মকর্তার তথ্যমতে ছাত্রদল কর্মীরা সেখানে মোট ১৩টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান রয়েল বলেন, ‘ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) হাজিরা শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে বেলা তিনটার সময়ে আমরা স্লোগান দিয়ে আসছিলাম। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে পুলিশ আমাদের উপরে হামলা চালায়।

রয়েলের দাবি, পুলিশের কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেটে তাদের সংগঠনের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলমসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। আর পুলিশ ১৫ থেকে ২০ জনকে আটক করেছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের রমনা বিভাগের সহকারী কমিশনার এহসানুল ফেরদৌস বলেন, ‘খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছু ছাত্রদলের ছেলেরা গাড়ি ভাঙচুর করেছে। এ ঘটনায় আমরা কয়েকজনকে আটকও করেছি। তবে তাদের সংখ্যা এই মুহূর্তে আপনাকে বলতে পারছি না।’

Comments

comments