কাশ্মীরে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে নিহত ৩

ভারতের কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জঙ্গি সংগঠন লস্কর তৈয়বার তিন সদস্য নিহত হয়েছে। এর মধ্যে একজন স্থানীয় হলেও বাকী দুই জন পাকিস্তানের নাগরিক, এর মধ্যে একজন লস্করের ডিভিশনাল কমান্ডারও রয়েছেন বলে জানা গেছে।

এই তিন জঙ্গির বিরুদ্ধে চলতি বছরের জুলাই মাসে অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। গত ১০ জুলাইয়ের ওই হামলায় ১৫ জন তীর্থ যাত্রী নিহত হয়, আহত হয় ৫৬ জন।

সোমবার বিকালের দিকে শ্রীনগর যাওয়ার পথে জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কের ওপর কাজিগন্ড এলাকায় সেনাবাহিনীর গাড়ি বহরে হঠাৎ গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। ওই ঘটনায় এক সেনা সদস্য নিহত হয়, আহত হয় আরও বেশ কয়েকজন সেনা সদস্য।

এরপরই গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী এবং জঙ্গিদের খোঁজে অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী। এরপর রাতভর দুই পক্ষের মধ্যে গুলির লড়াই চলে। অবশেষে সোমবার রাত ২ টা নাগাদ এনকাউন্টার পর্ব শেষ হয়। সেই সংঘর্ষেই তিন জঙ্গি নিহত হয়। এনকাউন্টারের সময় চতুর্থ জঙ্গি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও পরে অনন্তনাগ জেলার মেটারনিটি হাসপাতালে আত্মগোপন করে থাকা রশিদ আমাদ আল্লাই নামে স্থানীয় এক জঙ্গিকে আটক করে জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ।
তার কাছ থেকে একটি চিনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত তিন জঙ্গিরা হল বাবর বাসির (স্থানীয়), আবু ফুরকান এবং আবু মাভিয়া (দুই জনই পাকিস্তানি)। চলতি বছরের গোড়ার দিকে এক পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে বন্দুক ছিনিয়ে নেওয়ার পরই ফেব্রুয়ারি মাসে জঙ্গি সংগঠন লস্করে নাম লেখায় কুলগামের বাসিন্দা বাবর বাসির।

মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি এসপি বৈদ টুইট করে জানান ‘কয়েক দিন আগে আবু ইসমাইল এবং এবার আবু মাভিয়া, ফুরকান ও বাবর বাসির-এই তিন জঙ্গিকে খতমের সাথেই অমরনাথ যাত্রীদের ওপর হামলা চালানো জঙ্গি গ্রুপটিকে নির্মূল করা গেছে’। পরের একটি টুইট তিনি জানান ‘আমরা চতুর্থ জঙ্গিকে আটক করেছি’।

Comments

comments