চীনে ইন্টারনেটের দরজা ‘আরও উন্মুক্ত হবে’

বৈশ্বিক ইন্টারনেটের জন্য চীন দরজা বন্ধ করবে না- রোববার এমনটা বলেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। কিন্তু ইন্টারনেট উন্নয়নে দেশটির লক্ষ্যে সাইবার সার্বভৌমত্বই মূল উপাদান বলেও যোগ করেছেন তিনি।

চীনের পূর্বাঞ্চলের হুসিন শহরের সাইবার খাতে জননীতিমালা নিয়ে দেশটির সবচেয়ে বড় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রচারণা বিভাগের প্রধান হুয়াং কুনমিং শি’র এই কথাগুলো পড়ে শোনান, বলা হয়েছে রয়টার্স-এর প্রতিবেদনে।

কুনমিংয়ের পড়ে শোনানো শি’র ওই বিবৃতিতে বলা হয়, “চীনের সাইবার খাতের উন্নয়ন এখন প্রথম ধাপে প্রবেশ করছে… চীনের দরজা আরও উন্মুক্ত হবে।”

কোনো রাষ্ট্র বাইরের কোনো হস্তক্ষেপ ছাড়াই তাদের নিজস্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থাপনা করতে পারাকে সাইবার সার্বভৌমত্ব হিসেবে ধরা হচ্ছে।

২০১৬ সালে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি সাইবার নীতিমালা কড়া করেছে। নতুন আইনের মাধ্যমে বাইরের ইন্টারনেট প্রতিষ্ঠানগুলো চীনের মধ্যেই ডেটা সংরক্ষণে বাধ্য করেছে।

সাইবারস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ চায়না’র পর্যবেক্ষণে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিদেশি প্রযুক্তি নির্বাহীদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়। যাদের মধ্যে মার্কিন টেক জায়ান্ট অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী টিম কুক, ওয়েব জায়ান্ট গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দার পিচাই আর বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুক প্রধান মার্ক জাকারবার্গও ছিলেন।

চীনে গুগল আর ফেইসবুকের সেবা নিষিদ্ধ, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে আছে মাইক্রোব্লগিং সাইট টুইটারসহ অধিকাংশ বড় পশ্চিমা সংবাদ সাইট।

এই অনুষ্ঠানে চীনা ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবা, টেনসেন্ট গ্রুপ আর বাইদু-এর শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Comments

comments