লুইস-ঝড়ে উড়ে গেল চিটাগং

১৮৮ রান মোটেই সহজ লক্ষ্য নয়। কিন্তু এভিন লুইস তা মনে করলে তো! চিটাগং ভাইকিংসের বোলারদের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করলেন কারিবীয় ব্যাটসম্যান। তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে চিটাগংয়ের করা ১৮৭ রান ঢাকা ডায়নামাইটস পেরিয়ে গেছে ৭ বল বাকি থাকতেই। এবারের বিপিএলে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য তাড়া করে জয় এটিই। ৭ উইকেটের জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে সাকিব আল হাসানের দল।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে সোমবার বড় লক্ষ্য তাড়ায় ঢাকার শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। ইনিংসের প্রথম ওভারেই তাসকিন আহমেদের তৃতীয় বলে ডাক মেরে ফেরেন শহীদ আফ্রিদি। তবে আরেক ওপেনার লুইস ছিলেন এদিন অপ্রতিরোধ্য। আগের দুই ম্যাচে তিনি রান পাননি। এদিন শুরুটা করেছিলেন অবশ্য একটু ধীরলয়ে। প্রথম ৪ রান করতে খেলেছেন ৬ বল। মুখোমুখি সপ্তম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন।

চিটাগংয়ের কোনো বোলারই এদিন লুইসের হাত থেকে রক্ষা পাননি। সবচেয়ে বড় ঝড় বয়ে গেছে সানজামুল ইসলামের ওপর দিকে। বাঁহাতি স্পিনারের করা ইনিংসের নবম ওভারে লুইস ছক্কা হাঁকিয়েছেন চারটি! প্রথম তিন বলে টানা তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে লুইস ফিফটি পূর্ণ করেন মাত্র ২৫ বলে। এক ওভারে ২৬ রান দেওয়া সানজামুলকে আর বোলিংয়েই আনার সাহস করেনি চিটাগং।

দ্বিতীয় উইকেটে জো ডেনলিকে সঙ্গে নিয়ে লুইস গড়েন ১১৮ রানের বড় জুটি। বিধ্বংসী হয়ে ওঠা লুইসকে ফিরিয়ে দ্বাদশ ওভারে এ জুটি ভাঙেন তার স্বদেশী বোলার রায়াদ এমরিট। ৩১ বলে ৯ ছক্কা ও ৩ চারে ৭৫ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন লুইস। পরের ওভারে ফিরে যান ডেনলিও। তার আগেই প্রথমবারের মতো বিপিএলে খেলতে নামা এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান ৩৯ বলে ৪ চার ও এক ছক্কায় করেন ৪৪ রান।

বাকি কাজটা সেরেছেন অধিনায়ক সাকিব ও ক্যামেরন ডেলপোর্ট। এই দুজনের অবিচ্ছিন্ন ৬৭ রানের জুটিতে সহজেই লক্ষ্য পৌঁছে যায় ঢাকা। ২৪ বলে ৩ ছক্কা ও ২ চারে ৪৩ রানে অপরাজিত ছিলেন ডেলপোর্ট। ১৭ বলে ৩ চারে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন সাকিব। চিটাগংয়ের তাসকিন, এমরিট ও তানভীর হায়দার নেন একটি করে উইকেট।

Comments

comments