টাঙ্গাইলে সমাপনীতে পরীক্ষার্থী ৭৫ হাজার

পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন করছে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস

টাঙ্গাইল: সারা দেশের ন্যায় টাঙ্গাইলেও রোববার (১৯নভেম্বর) প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা শুরু হয়েছে, চলবে আগামি ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত। এবার জেলার মোট পরীক্ষার্থী ৭৪ হাজার ৫৭২ জন। এরমধ্যে অনুপস্থিত দুই হাজার ৩০২ জন। প্রাথমিকে এক হাজার ৫৩৯জন এবং ইবতেদায়ীতে অনুপস্থিত ৭৬৩ জন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে প্রকাশ, জেলার মোট ১৯১টি কেন্দ্রে ৭৪ হাজার ৫৭২ জন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা গ্রহণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৩৬ হাজার ৩৮৫ ছাত্র এবং ৩৮ হাজার ১৮৭ জন ছাত্রী।

জেলায় প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ৬৮ হাজার ২২৭ জন। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮৩৮ জন ছাত্র ও ৩৫ হাজার ৩৮৯ জন ছাত্রী। আর ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছয় হাজার ৩৪৫ জন। এর মধ্যে তিন হাজার ৫৩৯ জন ছাত্র ও দুই হাজার ৮০৬ জন ছাত্রী।

ঘাটাইলের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল কাশেম শাহীনের সার্বক্ষণিক নজরদারির কারনে প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্রেই সুন্দর ভাবে চলছে পরীক্ষা। ঘাটাইল উপজেলার কমলাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব মো: সাকাওয়াৎ হোসেন জানান, আমাদের এ কেন্দ্রে প্রাথমিকে অংশ নিয়েছে ১০টি ও এবতেদায়ী ২টি প্রতিষ্ঠান।

ঘাটাইল উপজেলার ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার মηুরুল ইসলাম জানান,ঘাটাইলের উপজেলায় প্রাথমিক সমাপনীর পরীক্ষাথীর সংখ্যা ৭ হাজার ২৫ জন, এবতেদায়ী ৭০০ জন। সুন্দরভাবেই পরীক্ষা হচ্ছে।

অপরদিকে, ধনবাড়ী উপজেলায় প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফা সিদ্দিকার সার্বক্ষণিক নজরদারির কারনে প্রত্যেকটি পরীক্ষা কেন্দ্রেই চলছে সুন্দর ও নিরিবিলি পরিবেশে পরীক্ষা।

ধনবাড়ী নওয়াব ইন্স্টিউটিশন পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস -চ্যানেল এস কে জানান,আমাদের এই ধনবাড়ী উপজেলায় এবার পিএস সি পরীক্ষা খুব সুন্দর ও পরীক্ষা বান্ধব পরিবেশে পরীক্ষা হচ্ছে । আশা করি বাকী সকল পরীক্ষাই সুন্দর বাবে সর্ম্পূণ হবে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল আজিজ জানান, নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য, মেয়েদের শিক্ষার প্রতি উৎসাহিত করার জন্য বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিগ্রী পর্যন্ত বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ সৃষ্টি, বৃত্তি-উপবৃত্তি প্রদানসহ বিভিন্ন প্রকার প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে নারী শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে অভিভাবকরা ছেলেদের শিক্ষার পাশাপাশি মেয়েদের শিক্ষার ব্যাপারে অনেক বেশি সচেতন হয়েছে।

Comments

comments