বিদ্যুতের দাম ইউনিটে ১ টাকা ৫৬ পয়সা কমানো সম্ভব

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে চায় বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরণ কোম্পানিগুলো। সম্প্রতি এ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) গণশুনানিতে এমন প্রস্তাব দিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান।

এদিকে ২০১০ সালের ১ মার্চ থেকে ২০১৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছয় বছরে পাইকারি পর্যায়ে পাঁচবার এবং খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে সাতবার বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম। মাঝে দুই বছর বিরতি দিয়ে আবারো বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো নয়, উল্টো কমানো সম্ভব।

ভোক্তা অধিকার সংস্থা কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা ড. শামসুল আলম মনে করেন, বেশি দামের বিদ্যুৎ উৎপাদনে নিরুৎসাহিত করার পাশাপাশি কম দামের বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানো এবং ভাড়া ভিত্তিক, কুইক রেন্টালের ক্যাপাসিটি ব্যয় কমিয়ে আনা গেলে বিদ্যুতের দাম নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং কমবে।

তিনি বলেন, এটা করা গেলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম এক টাকা ৫৬ পয়সা কমানো সম্ভব।

এ খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বিইআরসিকে আরো তৎপর হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) মহাব্যবস্থাপক কাউসার আমির আলী জানান, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিইআরসির ডাকে শেষ হয়েছে গণশুনানি। এতে ছয়টি বিতরণ কোম্পানির কাছে ১৫ শতাংশ বা ইউনিট প্রতি ৭২ পয়সা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড বিপিডিবি। আর বিতরণ কোম্পানিগুলো দাম বৃদ্ধির পক্ষে প্রতি ইউনিটে ছয় থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত।

বিইআরসির এক সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুতের দাম কতটুকু বাড়ছে- আগামী দেড় মাসের মধ্যে তার ঘোষণা আসতে পারে।

Comments

comments