আওয়ামী লীগ নেতার বর্বরতা

উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের লেকে গতকাল প্রচুর মাছ মরে পানিতে ভেসে উঠেছে। মাছচাষির অভিযোগ, সরকারদলীয় এক নেতা বিষ প্রয়োগ করে মাছগুলো মেরে ফেলেছেন l ছবি: সাজিদ হোসেন

উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টর–সংলগ্ন লেকে চাষ করা সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। কাজী আবদুল আজিজ নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ওই লেক ইজারা নিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, পানিতে বিষ ছড়িয়ে তাঁর চাষ করা মাছ মেরে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতা জড়িত বলেও তিনি অভিযোগ করেন। প্রাণভয়ে তিনি এখন পর্যন্ত থানায় লিখিত অভিযোগ করেনি।

ইজারাদার আবদুল আজিজ বলেন, ২০১০ সাল থেকে তিনি লেকটি মাছ চাষের জন্য ইজারা নেন। এর মধ্যে ২০১৬ সালে তাঁর ইজারার মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। রাজউক লেক উন্নয়নের কাজ করবে বলে নতুন করে চুক্তিটি নবায়ন করেনি। তবে লেক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু করতে দেরি হওয়ায় তিনি নতুন করে পোনা ছাড়েন। তিনি বলেন, কিছুদিন আগে উত্তরা পশ্চিম থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি মনোয়ার ইসলাম তাঁকে ফোন করে নাসির সরকার নামের একজনের সঙ্গে মিলেমিশে মাছ চাষ করার প্রস্তাব দেন। এর কয়েক দিন পর মো. মিজান ও মো. শাহজাহান নামের দুই ব্যক্তি তাঁর কাছে আসেন। তাঁরা একসঙ্গে মাছ চাষের প্রস্তাব দেন। কিন্তু তিনি এতে রাজি হননি। তিনি বলেন, তাঁদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় পানিতে বিষ মিশিয়ে মাছ মেরে ফেলা হয়।

গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তরা ৩ ও ৫ নম্বর সেক্টরের সংযোগ সেতুর দক্ষিণ দিকের লেকের পানিতে প্রচুর পরিমাণ মরা মাছ পানিতে ভেসে আছে। বেশির ভাগই তেলাপিয়া। এ ছাড়া রুই, গ্রাস কার্প, কাতল মাছও আছে। এসব মাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা বলে আবদুল আজিজ দাবি করেন।

সূত্র: প্রথম আলো

Comments

comments