গুলিতে মৃতরা কেউই হিন্দু বাড়িতে আগুন লাগাতে গিয়ে মারা যায়নি

ফাইল ফটো

পিনাকি ভট্টাচার্য

টিটু রায় ফেবুতে যা দিয়েছিল সেটা আমি দেখেছি। উস্কানির মাত্রা ছিল ভয়াবহ। টিটু রায় এই কাজটা কার সাহসে করেছে? সে কটুক্তি করেছে ২৮ শে অক্টোবর, অভিযোগ দেয়া হয়েছে তার পরদিন। মুসল্লিরা দফায় দফায় মানববন্ধন আর প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে কিন্তু প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ঘটনাকে তাতিয়ে উঠতে সাহায্য করেছে। প্রশাসন ঘটনা ঘটার আগে কোন প্রস্তুতিমুলক ব্যবস্থা না নিয়ে সরাসরি গুলি চালিয়ে হত্যা করেছে দুইজনকে আহত হয়েছে ৬০ জন। অসমর্থিত সুত্রে দাবী করা হচ্ছে ছয়জন মারা গেছে। গুলিতে যারা মৃত তারা কেউই হিন্দুদের ঘরবাড়িতে আগুন লাগাতে গিয়ে মারা যায়নি।

প্রাণহানীর ঘটনাকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু ঘরবাড়িতে আগুন দেয়ার ঘটনাকে আমাদের মিডিয়াগুলো প্রচার করে কী প্রমাণ করতে চায়। তারা কি প্রকারান্তরে এটাই প্রমাণ করতে চাইছেনা যে মুসলমানেরা অসহিষ্ণু, সহিংস? ফেবু পোষ্ট দেয়ার পরে এটা ফয়সালা করার জন্য কি প্রশাসন যথেষ্ট সময় পায়নি? এখানে একটা নিয়মতান্ত্রিক সভ্য প্রতিবাদকে সহিংস হয়ে উঠতে বাধ্য করা হয়েছে। নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদকে গুরুত্ব দিয়ে টিটুকে গ্রেপ্তার করলে সহিংসতার আশংকা কমতো।

যাদের ঘর পুড়েছে আমি তাদের বেদনায় সমব্যথী। যেই ঘর পুড়েছে চাইলে তা আবার বানিয়ে দেয়া যাবে। যেই প্রাণ গেছে, চাইলে কি সেটা কেউ ফিরিয়ে দিতে পারবে? তবুও সব দায় যেন যারা নিয়মতান্ত্রিক প্রতিবাদ করেছিল তাদেরই। কালক্ষেপণ করে প্রশাসনের তাতিয়ে দেয়ার কৌশল আর নিষ্ক্রিয় থেকে ঘটনা ঘটতে দেয়ার কৌশল যেন কোন ইস্যু নয়।

Comments

comments