কৌশলী মিয়ানমার, বাংলাদেশ কী করবে?

রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দেওয়া বিবৃতির পরিপ্রেক্ষিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতিক্রিয়া আমাদের গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা দরকার। এই বক্তব্যকে কেবল তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া বা একটি সরকারি ভাষ্য বলে বিচার করা ঠিক হবে না। মিয়ানমার সরকারের বক্তব্যে এ বিষয়ে তাদের দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি সুস্পষ্ট এবং এতে করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া ছয় থেকে সাত লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর ভবিষ্যৎ বিষয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। মিয়ানমারের বিবৃতিটির বিপজ্জনক দিকগুলো বোঝার জন্য প্রথমে আমাদের জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতির কিছু দিক আলোচনা করা দরকার।

গত সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে পরিষদের সভাপতির একটি বিবৃতি সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়েছে। ফলে এটি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অবস্থান বলেই বিবেচিত হবে। ওই বিবৃতিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর নৃশংসতা বন্ধের জোরালো দাবিতে সহিংসতায় কার্যত মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সংশ্লিষ্টতার কথাও বলা হয়েছে। শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য আহ্বান জানানোর পাশাপাশি কূটনৈতিক ভাষায় মিয়ানমারকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে এই বলে, যেন দেশটি ‘অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ’ না করে। লক্ষণীয় যে, রাখাইনে ‘বেসামরিক শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা’ এবং ‘আইনের শাসন নিশ্চিত’ করতে বলা হয়েছে, যাতে স্পষ্ট যে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে যে দাবি করা হয়েছিল যে সেনা অভিযান শেষ হয়ে গেছে এবং সম্প্রতি অং সান সু চি ওই এলাকা সফর করে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে বলে যে ধারণা দিতে চেয়েছিলেন, সেটা আন্তর্জাতিক সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। পরিষদ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে একজন বিশেষ উপদেষ্টা নিয়োগের জন্য, যিনি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে মহাসচিবের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট পেশ করবেন। এতে করে এটা সহজেই বোধগম্য যে চীন ও রাশিয়ার কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে এই মুহূর্তে কোনো রকম পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব না হলেও নিরাপত্তা পরিষদে বিষয়টি এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না।

নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে দ্বিপক্ষীয়ভাবে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর, বিশেষত যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ প্রতিষ্ঠার প্রশংসা করা হলেও এই ওয়ার্কিং গ্রুপে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারকে (ইউএনএইচসিআর) আমন্ত্রণ জানাতে অনুরোধ করা হয়েছে। কিন্তু এ ধরনের প্রচেষ্টার কোনো লক্ষণ এখনো নেই; অক্টোবরের গোড়াতে আমি এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে বলেছিলাম যে ‘জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর প্রত্যক্ষ, কার্যকর ও নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সংশ্লিষ্টতা ছাড়া দ্বিপক্ষীয় আলোচনা ও পদক্ষেপ বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে বলে মনে হয় না।’ (‘আলোচনায় বাংলাদেশ কী পাবে?’ প্রথম আলো, ৫ অক্টোবর ২০১৭)। বিবৃতিতে সবার সমান নাগরিকত্বের নিশ্চয়তা বিধানের কথা বলা হয়েছে।

এই বিবৃতির বিষয়ে জাতিসংঘে মিয়ানমারের প্রতিনিধি সোমবারই আপত্তি জানিয়েছিলেন। বুধবার মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে রাজধানী নেপিডোতে দেওয়া বক্তব্যে একে ‘ক্ষতিকর বিবৃতি’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। মিয়ানমারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাতিসংঘের বিবৃতির কারণে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ‘দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় বিরূপ প্রভাব’ পড়তে পারে। বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে এবং ওই আলোচনাকে ‘নির্ঝঞ্ঝাট’ এবং ‘দ্রুতগতিতে’ চলা বলে বর্ণনা করা হয়েছে। বিবৃতিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ইতিমধ্যকার আলোচনায় যে সাফল্যের কথা বলা হয়েছে, সেখানে রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ অনুপস্থিত। বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর বৈঠকে বসেছিলেন। তাঁরা চুক্তিতে পৌঁছেছেন এবং দুটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজে সই করেছেন, যা ইতিবাচকভাবে দুই দেশের সীমান্ত নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলবে।’ (প্রথম আলো, ৮ নভেম্বর ২০১৭)।

কিন্তু এই আলোচনার অগ্রগতির বিষয়ে মিয়ানমার থেকে ফিরে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যা বলেছেন, তা খুব আশাব্যঞ্জক নয়। ২৭ অক্টোবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যা সমাধানে একটি জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করার কথা ছিল। কিন্তু ১০ দফায় একমত না হওয়ায় তা গঠন করা সম্ভব হয়নি।’ তিনি বলেন, ‘তারা এটাকে কাটাছেঁড়া করেছে। পরবর্তী সময়ে আমাদের কাছে ১০ দফার একটি খসড়া কপি পাঠানো হয়েছে। আমরা তা সংশোধন করে পাঠাব।’ (বাংলা ট্রিবিউন, ২৭ অক্টোবর ২০১৭)। শুধু তা–ই নয়, মিয়ানমারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে যে বাংলাদেশের কারণে শরণার্থী প্রত্যাবাসন বিলম্বিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশ বিদেশি সাহায্য পাওয়ার জন্য তা করছে (৩১ অক্টোবর রয়টার্সের প্রতিবেদন)। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যদিও দ্বিপক্ষীয়ভাবে সমাধানের আশাবাদের কথা বলছেন, কিন্তু তিনিই আমাদের জানিয়েছেন যে কফি আনান কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়নের প্রশ্নে মিয়ানমার ইতিমধ্যে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে সম্মত যৌথ বিবৃতি থেকে এই প্রসঙ্গ বাদ দিয়েছে (যুগান্তর, ২৮ অক্টোবর ২০১৭)। ফলে বুধবার মিয়ানমারের পক্ষ থেকে যে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে, তাকে আলাদাভাবে না দেখে দেখতে হবে মিয়ানমার সরকারের অবস্থানগুলোর ধারাবাহিকতায়।

এই বিবৃতি এবং ইদানীংকালে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে যেসব প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে বিবেচনায় নিলে দেখা যায় যে মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যার ব্যাপারে বিভিন্ন ধরনের কৌশল গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমারের ওপর একধরনের চাপ আছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসনের ১৫ নভেম্বর মিয়ানমার সফর, মার্কিন সিনেটের পররাষ্ট্রবিষয়ক কমিটির একটি প্রতিনিধিদলের ১৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সফরের যে কথা রয়েছে, এটা তার প্রমাণ। ২ নভেম্বর মার্কিন সিনেটে উত্থাপিত একটি বিলে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর সাহায্য এবং তার সঙ্গে সহযোগিতা সীমিত করতে বলা হয়েছে এবং হোয়াইট হাউসকে মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, যাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এ ছাড়া পোপ ফ্রান্সিস মিয়ানমার সফর করবেন এই মাসের শেষে। ইতিমধ্যে পোপ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তাঁর সমর্থনসূচক অবস্থানের কথা বলেছেন।

এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মিয়ানমারের পক্ষ থেকে যেসব কথা বলা হচ্ছে, তাতে পাঁচটি কৌশল স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ওয়াশিংটনসহ অন্যত্র বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক ও অনানুষ্ঠানিক ফোরামে মিয়ানমারের পক্ষে যাঁরা কথা বলছেন, তাঁদের কথায় সেসব বিষয় উঠে আসছে। প্রথমটি হচ্ছে দীর্ঘসূত্রতা; বলা হচ্ছে যে মিয়ানমার তার দেশের নাগরিকদের ফেরত নিতে চায় এবং এ বিষয়ে অং সান সু চি নিজেই উদ্যোগী হচ্ছেন; কিন্তু সমস্যার আশু কোনো সমাধান নেই। অতিদ্রুত শরণার্থীদের ফেরত নেওয়া যাবে না; এর জন্য সময়ের দরকার এবং আন্তর্জাতিক সমাজকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। মিয়ানমার আশা করছে যে এখন সারা বিশ্বে যতটা উৎসাহ আছে, ধীরে ধীরে তাতে ভাটা পড়বে এবং মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক বন্ধুরা এ বিষয়ে সমালোচনাকে আগামী দিনে আরও দুর্বল করতে পারবেন।

দ্বিতীয়ত, রোহিঙ্গা সমস্যা দ্বিপক্ষীয় সমস্যা এবং এর আন্তর্জাতিকীকরণ সমাধানের পথে বাধা তৈরি করবে। মিয়ানমারের গত বুধবারের বিবৃতির প্রধান দিকই হচ্ছে এটি। মিয়ানমার যেহেতু আন্তর্জাতিক কোনো প্রতিষ্ঠানের সংযুক্তি ছাড়াই বাংলাদেশের সঙ্গে ‘ঐকমত্য’ তৈরি করতে পেরেছে, সেহেতু এর সমাধানও সেভাবেই করা যাবে।

তৃতীয়ত, মিয়ানমার বলতে চাইছে যে রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ রাজনৈতিক নয়, অর্থনৈতিক; আরাকানে আরও বেশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করলে বিরাজমান পরিস্থিতির অবসান হবে। এই কৌশলের অংশ হিসেবেই ১৭ অক্টোবর ‘দ্য ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজ মেকানিজম ফর হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্স, রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ইন রাখাইন’ (যা সংক্ষেপে ‘দ্য ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজ’ বলে পরিচিত) নামে একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। উদ্বাস্তুদের সহায়তা প্রদান, তাদের প্রত্যাবর্তন তদারকি এবং তাদের পুনরায় বসতি স্থাপনে সহায়তাকে এর লক্ষ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা এর আওতায় মিয়ানমার সরকারের প্রতিশ্রুত বিনিয়োগের বাইরে অবকাঠামো এবং সামাজিক উন্নয়ন খাতে ১ কোটি ৩০ লাখ ডলার ব্যয় করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। দেশের বাইরের সংগঠনগুলোকে বলা হচ্ছে যে তারা যেন রাখাইনে দেওয়া তাদের সাহায্য এই প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেয়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য এটা দেখানো যে সরকার সমস্যা মোকাবিলা করছে এবং সেনাবাহিনীকে বাদ দিয়ে বেসামরিক উদ্যোগেই তা করা হচ্ছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির বিবৃতির ভাষা ও দৃষ্টিভঙ্গিতে কঠোর মনোভাব থাকলেও জাতিসংঘও আশু সমাধানের একটি উপকরণ হিসেবে ‘ইউনিয়ন এন্টারপ্রাইজ মেকানিজম’কে বিবেচনা করছে।

চতুর্থ কৌশল হচ্ছে, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রদানে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া। এই ভাষ্য অনুযায়ী, অং সান সু চির ওপর বেশি চাপ প্রয়োগ করলে তিনি সেনাবাহিনীর কাছে ক্ষমতা হারাতে পারেন, যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাবে। এমনও বলা হয়ে থাকে যে সেপ্টেম্বর মাসে অং সান সু চির জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার কারণ হচ্ছে, তাঁর অনুপস্থিতিতে সামরিক বাহিনী জরুরি আইন জারি করে ফেলতে পারে এমন আশঙ্কা। সামরিক বাহিনী থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত ভাইস প্রেসিডেন্ট মিন্ত সুয়েকে সামনে রেখেই সেনাবাহিনীর পক্ষে সেটা করা সম্ভব ছিল। কেননা, সে সময় প্রেসিডেন্ট চিকিৎসাধীন ছিলেন।

পঞ্চম কৌশল হচ্ছে, রোহিঙ্গা সমস্যার আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়াকে এমনভাবে উপস্থাপন করা যে এ নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলো অতিরিক্ত প্রচার চালাচ্ছে এবং অন্যদের এ বিষয়ে উদ্বেগ নেই। এটি দেখানোর অংশ হিসেবেই অং সান সু চি এই সপ্তাহান্তে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠেয় আসিয়ান শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেবেন। রোহিঙ্গা প্রশ্নে আসিয়ান সদস্যদের ঐকমত্য না থাকায় এই বৈঠকে এ প্রসঙ্গ আলোচিত হবে না। সু চি সপ্তাহের আরও পরের দিকে এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন বা এপেকের শীর্ষ বৈঠকের সময় ভিয়েতনামের দানাংয়ে যাবেন, যদিও মিয়ানমার এপেকের সদস্য নয়। এ ছাড়া ২০ ও ২১ তারিখে নেপিডোতে আসেমের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে রোহিঙ্গা সমস্যার রাজনৈতিক দিক আলোচনার সম্ভাবনা নেই। মিয়ানমার মনে করে যে এগুলো প্রমাণ করবে রোহিঙ্গা সমস্যার বিষয়ে উদ্বেগ কম দেশেরই আছে।

মিয়ানমার এসব কৌশলে কতটা সফল হবে, সেটা সময়ের বিষয়, কিন্তু এখন তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, এ ধরনের কৌশলের বিপরীতে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কী ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।

Comments

comments