জাকির নায়েককে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি দিল মালয়েশিয়া

মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ মালয়েশিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন ইসলাম প্রচারক ও তুখোড় বক্তা ডা. জাকির নায়েক।

ভারতে কথিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জাকির নায়েক অভিযুক্ত হয়ে পলাতক ঘোষিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ হওয়ার পরও তাকে সাদরে বরণ করে নিয়েছেন মালয়েশিয়ার শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা।

গত মাসে মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার পুত্র মসজিদ থেকে জাকির নায়েক একজন দেহরক্ষীকে সঙ্গে নিয়ে জনসম্মুখে বেরিয়ে এসেছিলেন। সেদেশে এভাবে তার প্রকাশ্যে আসা বিরল ঘটনা। ওই সময় তার চারপাশে মানুষ ভিড় জমায় এবং সেলফি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। ওই মসজিদে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা প্রায়ই নামাজ পড়েন।

প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের অধীনে সম্প্রতি কয়েক বছরে মালয়েশিয়ায় ইসলামের রাজনীতিকরণ বাড়ছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তার দলের পরাজয় এবং ক্ষমতাসীন জোটের খারাপ অবস্থানের পর থেকে।

৫২ বছর বয়সী জাকির নায়েক সমকামী এবং ইসলাম ধর্মত্যাগীদের জন্য মৃত্যুদণ্ডের সুপারিশ করেন।

ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) প্রকাশ্য বক্তব্য ও উপদেশের মাধ্যমে দেশটির বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা ও ঘৃণা ছড়ানোর অভিযোগে করে। পিস টিভি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে জাকির নায়েক তার বক্তব্য ও মতামত প্রচার করতেন।

গত বছর ঢাকায় হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালানো সন্ত্রাসীরা জাকির নায়েকের বক্তব্যে অণুপ্রাণিত হয়ে থাকতে পারেন- এমন খবর প্রকাশের পর পিস টিভি চ্যানেল বন্ধ করে বাংলাদেশ। যদিও হামলার দায় স্বীকার করেছিল জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস।

সিঙ্গাপুরের ‘রাজারত্মম স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাডিজ’ এর বিশ্লেষক রাশাদ আলি বলেছেন, “মালয়েশিয়া সরকার জাকির নায়েককে ঠাঁই দিয়েছে কারণ যৌক্তিকভাবেই মালয়দের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে আছেন তিনি।

Comments

comments