জয় ছাড়া কিছু ভাবছে না বাংলাদেশ

জয় দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষ করতে চান সাকিব আল হাসান। ছবি: প্রথম আলো

এর আগে যে দুবার দক্ষিণ আফ্রিকায় পূর্ণাঙ্গ সফরে গেছে বাংলাদেশ, কোনোটিতেই আনন্দদায়ী স্মৃতি নেই। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে জয় জিনিসটা কী, সেটি কখনো দেখতে পায়নি বাংলাদেশ। এবারও কি সেই একই গল্প লেখা হতে যাচ্ছে? তবে গল্পটা বদলাতে চান সাকিবরা। কাল পচেফস্ট্রুমের টি-টোয়েন্টি দিয়ে সফর শেষ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ম্যাচটি জয় দিয়েই শেষ করতে চায় দল।

সফরটা কীভাবে শেষ হলে সাকিব সবচেয়ে খুশি হবেন, তা কি আর বলতে! জয়ের বাইরে কোনো ভাবনা নেই বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের, ‘আর কী আছে? জয় ছাড়া আর কিছু দেখি না। অন্তত এটাই তো আমাদের চাওয়া।’

সাকিবকে আত্মবিশ্বাসী করছে ব্লুমফন্টেইনে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স। ম্যাচটা ২০ রানে হারলেও নিজেদের খেলা নিয়ে খুশি সাকিব, ‘সবই ভালো আছে। আরেকটু ভালো হলে জেতা সম্ভব ছিল। আমরা একটা বাড়তি বোলার নিয়ে খেলেছিলাম, পরিকল্পনা ছিল ওদের যদি ১৮০ রানের মধ্যে আটকে রাখতে পারি, আত্মবিশ্বাস ছিল তাড়া করতে পারব। উইকেটও সে রকমই ছিল। ফিল্ডিংয়েও কিছু ভুল হয়েছে। কিছু উন্নতির জায়গা আছে। সেগুলো করতে পারলে আরও একটা ভালো ম্যাচ হওয়া সম্ভব।’

প্রথম টি-টোয়েন্টিতে হারের ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে ডট বল দেওয়ার বিষয়টি। ১২০ বলের মধ্যে ৪৫ বলেই বাংলাদেশ কোনো রান করেনি। অন্যদিকে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটসম্যানরা ‘ডট’ বল দিয়েছেন মাত্র ২২টি। সাকিবের লক্ষ্য পরের ম্যাচে ডট বল কম দেওয়ার, ‘ওরা বেশি ভালো ব্যাটিং করেছে বলে ২২টা ডট দিয়েছে। সাধারণত ৩০-৪০টার ভেতর থাকে। পরের ম্যাচে যদি এর মধ্যে (৩০-৪০) রাখা যায়, তবে ভালো হয়। চেষ্টা থাকবে ডট বল কম দেওয়া, বিশেষ করে প্রথম ছয় ও মাঝামাঝি ওভারে। বাউন্ডারির সঙ্গে যদি রানের চাকাটা সচল রাখা যায়, তবে চাপটা অনেক কমে যায়।’
পচেফস্ট্রুমের উইকেট কেমন হবে, সেটি না বলতে পারলেও কালও বড় স্কোরের ম্যাচ হবে বলে মনে করছেন সাকিব, ‘সবাই বলছে একটু মন্থর হয় (উইকেট)। মনে হচ্ছে হাই স্কোরিং ম্যাচই হবে। আগে ফিল্ডিং করলে ওদের কম রানে আটকাতে চেষ্টা করব। আর আগে ব্যাটিং করলে ১৮০ না করলে জয়ের সুযোগ কম।’

পচেফস্ট্রুম টেস্ট দিয়ে যেখানে শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের দক্ষিণ আফ্রিকা সফর, সেখানেই শেষ হচ্ছে কাল। দুটি ঘটনা ঘটতে পারে এই ম্যাচে। পরাজয়ের বৃত্ত পূরণ অথবা পরাজয়ের বৃত্ত ভেঙে বেরিয়ে আসা। বাংলাদেশ নিশ্চয় শেষেরটিই চাইবে।

Comments

comments