নিজের বিশ্বাস থেকে জিয়াকে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ বলেছিলাম : সিইসি

ফাইল ছবি

তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশে ‘বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন বলে দাবি করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নুরুল হুদা।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ‘সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, পর্যক্ষক সংস্থা, নারী নেত্রী ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সাথে সফল সংলাপ পরবর্তী সাংবাদিক সম্মেলনে’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

নুরুল হুদা বলেন, ‘আগে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র ছিল। কিন্তু ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের কোনো অস্তিত্ব ছিল না। তিনি (জিয়াউর রহমান) এটি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তার ভিত্তিতেই দেশে নির্বাচন হয়েছিল এবং ওই নির্বাচনে অনেক দল অংশগ্রহণ করে।

তিনি বলেন, নিজের বিশ্বাস থেকে জিয়াউর রহমানকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা বলেছিলাম, কাউকে খুশি করতে নয়। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ‘বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ এটা এখনো ওন করি।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপের দিন নেতারা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন কিনা- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তারা আমার কাছে এ বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা চাননি। তবে আমার বক্তব্যে তারা হয়তো ব্যাখ্যা পেয়েছিলেন।’

এর আগে, গত ১৫ অক্টোবর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে ১৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নেন। এদিন সংলাপের সূচনা বক্তব্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেন, ‘জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা করেছেন।’

এ নিয়ে পরবর্তীতে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এই কারণেই পরদিন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ইসির সংলাপ বর্জন করে সিইসির পদত্যাগ দাবি করেন।

নয়া দিগন্ত অনলাইন

Comments

comments