চিরতরুণ এক ডাক্তারের গল্প

মানুষটার বয়স কত হবে ৫৫ বা ৬০। কিন্তু সদা হাস্যোজ্জ্বল মুখ আর কর্মস্পৃহা দেখে আসল বয়স আন্দাজ করার উপায় নেই। চুল-দাড়িতে পাক ধরেছে। বিশাল বড় ডাক্তার তিনি। মনোরোগের মত কঠিন বিষয়ের নামকরা অধ্যাপক। কিন্তু নেই কোন অহংকার-আত্মগরিমা। নিজের চেয়ে অর্ধেক বয়সেরও কম জুনিয়রদের সাথে মিশে যান বন্ধুর মত।

তার সান্নিধ্য একবার যে পেয়েছে মনের মধ্যেই স্থান করে নিবে তাকে অনায়াসে। সেনাবাহিনীতে চাকরি করায় তার মধ্যে আছে সৈনিকসুলভ শৃংখলা। আবার কথাগুলো শুনলে মনে হবে মস্ত বড় দার্শনিক। ধর্মতত্ত্বের আলোচনায় আবার তিনি মস্ত বড় ধর্মতাত্ত্বিক।কোন আসর মাতিয়ে রাখায় জুড়ি নেই তার।

সদা কর্মচঞ্চল মানুষ তিনি।মানুষের দুঃখ কষ্ট শুনলে দৌঁড়ে যান পাগলের মত। উত্তরবঙ্গের বন্যাদুর্গত মানুষ কি মগ দস্যুদের নৃশংসতায় বাস্তুহারা অসহায় রোহিঙ্গা সকলের পাশেই পাওয়া যাবে তাকে। এই লেখাটা যখন লেখছি তখনো তিনি অবস্থান করছেন উখিয়াতে রোহিঙ্গাদের সেবায়।

খ্যাতিমান ডাক্তার হয়েও নিজের চেম্বার-প্র্যাকটিস বাদ দিয়ে ছুটে গেছেন মানবতার টানে সুদূর টেকনাফে এই নিয়ে ৪ বারের মত। একক প্রচেষ্টায় গড়ে তুলেছেন ফিল্ড হসপিটাল।

আপনারা অনেকেই হয়তো বুঝতে পেরেছেন আমি কার কথা বলছি। তিনি হলেন আমদের সবার প্রিয় প্রখ্যাত মনোরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ মেজর (অব.) আব্দুল ওয়াহাব স্যার।  যাকে আমরা সবাই চিনি মিনার স্যার নামে। চির অমলিন থাকুক আপনার সেই চিরচেনা ভুবন ভোলানো হাসি।

অধ্যাপক লেঃ কর্নেল (অবঃ) ডাঃ মোঃ আব্দুল ওয়াহাব

এমবিবিএস, ডিডিভি, এমসিপিএস, এফএসিপি (ইউএসএ)

এফসিপিএস (ডার্মাটলজি), এফআরসিপি (ইউকে)

উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত (থাইল্যান্ড) চর্ম, যৌন, এলার্জি ও কুষ্ঠরোগ বিশেষজ্ঞ

অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।

-Tanzim Ul Haque 

Comments

comments