দেশের ৭৮ ভাগ মানুষের মতে শরিয়া আইন নারীর মর্যাদা নিশ্চিত করবে

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্র সমর্থন করে। সেই সাথে এ কথাও বিশ্বাস করে যে, কুরআন ও হাদিস-ভিত্তিক শরিয়াহ আইন সুশাসন ও ন্যায়প্রতিষ্ঠার সহায়ক। সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক গবেষণা বিশ্লেষণে এ ধরনের উপসংহার উপস্থাপিত হয়েছে। এ গবেষণা কর্মটি পরিচালনা করেছে ‘রিসলভ নেটওয়ার্ক (Resolve Network)’। এটি হচ্ছে গবেষক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের একটি বৈশ্বিক সমষ্টি সঙ্ঘ (Global Consortium) এরা সহিংস উগ্রবাদ নিয়ে ২৫টির বেশি দেশে গবেষণা পরিচালনা করেছে। এর প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে। এ বছরের ১২ থেকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বাংলাদেশে এ গবেষণাটি পরিচালিত হয়। দৈব চয়ন (Random Sampling) গবেষণা পদ্ধতির ভিত্তিতে ৪০৬৭টি পরিবারে এ গবেষণাকর্মটি পরিচালিত হয়। উত্তরদাতাদের ৫০ শতাংশ পুরুষ ও ৫০ শতাংশ নারী। তাদের মধ্যে ৭৫ শতাংশের বসবাস গ্রামে।

গবেষণাকর্ম পরিচালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক আলী রিয়াজ এবং ব্র্যাক বিশ^বিদ্যালয়ের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহযোগী সৈয়দা সেলিনা আজিজ। পরিচালিত গবেষণাকর্মের ভিত্তিতে তারা দু’জনে ‘ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড শরিয়াহ ইন বাংলাদেশ : সার্ভিং সাপোর্ট (Democracy and sharia in Bangladesh: surveying support)’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ রিসলভ নেটওয়ার্ক ওয়েবসাইটে ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় দৈনিক এর সারসংক্ষেপ প্রকাশ করে। বিষয়টি বিদ্বজ্জন মহলে দৃষ্টি আকর্ষণ করে। কারণ এত দিন ধরে গণতন্ত্র ও শরিয়াহ তথা ইসলাম, একটি অপরটির বিপরীত বা প্রতিবন্ধক এ রকম ধারণা প্রবাহিত ছিল। প্রকাশিত জনমতটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী বিষয়। বিষয় বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গবেষণাকর্মটি বাংলাদেশের জনগণের মনস্তাত্ত্বিক ধরন বুঝতে সহায়ক হবে। ‘রাজনৈতিক ইসলাম’ ও ইসলামের সামাজিক বলয় ও শক্তি বুঝতেও গবেষণাকর্মটি বাস্তব ভূমিকা রাখবে।

কিছুকাল আগে বক্ষ্যমাণ লেখক ২০০৫ সালে সিনিয়র ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে একই ধরনের একটি গবেষণাকর্ম সম্পাদন করেন। সে গবেষণাকর্মের শিরোনাম ছিল ‘ডেমোক্র্যাসি অ্যান্ড ইসলাম ইন থিওরি অ্যান্ড প্রাকটিস : এ কোয়েস্ট ফর সিনথেসিস ইন বাংলাদেশ’। এ গবেষণাকর্মে ইসলাম ও গণতন্ত্রের একটি সমন্বয় প্রয়াস যে বাংলাদেশে ক্রমবিকশিত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিদৃষ্ট হচ্ছে তা প্রমাণ করার প্রয়াস নেয়া হয়। স্মরণ করা যেতে পারে, সে সময় ইসলাম গণতন্ত্রের পরিপূরক কি না তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক চলছিল। বিতর্কটি এখনো বহমান। এস পি হান্টিংটন ও লিওনার্দ বাইন্ডারসহ ইহুদি লবির রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এই উপসংহারে পৌঁছেছিলেন যে, ‘ইসলামি কনসেপ্ট অব পলিটিকস ডিফার ফ্রম অ্যান্ড কনট্রাডিক্ট দি প্রিমিসেস অব ডেমোক্র্যাটিক পলিটিকস’। মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক জনপ্রিয় লেখক ঘুরিয়েফিরিয়ে একই কথা বলছিলেন।

তাদের এ পক্ষপাতদুষ্ট মতামতের বিপক্ষেও বেশ শক্ত মনোভাব প্রকাশিত হয়। জন এস্পোসিত এবং জন ওভল বহুমুখী গবেষণা শেষে মন্তব্য করেন, ‘ইসলামিক হেরিটেজেস, ইনফ্যাক্ট কনটেইনস কনসেপ্ট দ্যাট প্রোবাইড এ ফাউন্ডেশন ফর কনটেম্পোরারি মুসলিম টু ডেভেলপ অথেনটিক্যালি ইসলামিক প্রোগ্রাম অব ডেমোক্র্যাসি’। অপার একজন মার্কিন বিশেষজ্ঞ রুবিন রাইট বলেন, ‘নাইদার ইসলাম নর ইটস কালচার ইজ মেজর অবস্টাকল টু পলিটিক্যাল মডার্নিটি’। এক যুগ পরে আজকে যখন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে গবেষণাকর্মে অন্তত সামাজিক শক্তি হিসেবে ইসলামের অনুরণন অনুভূত হয় তখন একাডেমিক প্রাগমেটিজমের প্রকাশ ঘটে বৈকি! বাংলাদেশের দীর্ঘকাল ধরে বহমান বিতর্ক এই যে, দেশটিতে ইসলাম বনাম ধর্মনিরপেক্ষতার ‘ভাবাদর্শের’ সঙ্ঘাত চলছে। আমার গবেষণাকর্ম এবং বর্তমান উপস্থাপিত গবেষণাকর্মের নির্যাস দেখে বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, বিতর্কটি অনাহূত ও আরোপিত। শাসক এলিটরা তাদের নিজ নিজ সঙ্ঘাতের সপক্ষে বিষয়টি বড় করে তুলেছেন। বাংলাদেশের মানুষ ধার্মিক এবং অন্য ধর্মের প্রতি উদার ও সহনশীল। তারা যেমন মোল্লাতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তেমনি নাস্তিকতন্ত্রেও তাদের অনাস্থা।

প্রকাশিত জরিপে দেখা গেছে, তারা একই সাথে গণতন্ত্র ও ইসলামি জীবনব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। ৯১ শতাংশ উত্তরদাতা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর আস্থা রাখেন এবং ৮০ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা শরিয়াহ আইনে বিশ^াস করেন। ফলাফল বিশ্লেষণ করে জরিপকারী গবেষকেরা বলেছেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও শরিয়াহ আইন একই সাথে চলতে পারে। জরিপের ফলাফলে পরিদৃষ্ট হচ্ছে, সম্পত্তির অধিকার, প্রতিনিধি নির্বাচন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের ব্যাপক সমর্থন রয়েছে। ৯২ শতাংশ উত্তরদাতা ব্যক্তির সম্পত্তির অধিকারকে সমর্থন করেন। ৯১ শতাংশ মানুষ মনে করেন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের একটি বহিঃপ্রকাশ হচ্ছে নির্বাচিত প্রতিনিধিত্ব। ৮৬ শতাংশ উত্তরদাতা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

জরিপে দেখা গেছে, বাংলাদেশ সরকারের কার্যকারিতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ আছে। অনেক নাগরিক মনে করেন না তারা নির্বাচিত প্রতিনিধি দ্বারা ঠিকভাবে শাসিত হচ্ছেন। তারা অনুভব করেন তাদের অধিকার ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং বিচার বিভাগ রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নয়। ফলাফল বিশ্লেষণকারী গবেষকদ্বয় মনে করেন, বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থার মধ্যে শরিয়াহ আইনের ভূমিকা রাখার ব্যাপারে সমর্থন আছে। ৮০ শতাংশের বেশি উত্তরদাতা মনে করেন, শরিয়াহ আইন মৌলিক সেবা, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সহায়ক। তারা আরো মনে করেন, শরিয়াহ আইন থাকলে দেশে দুর্নীতি কমবে। এদের একটি বড় অংশ শরিয়াহ আইনের কঠিন শারীরিক শাস্তির বিধানকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। ৭৮ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, শরিয়াহ আইন কার্যকর থাকলে নারীর মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকবে। রিসলভ নেটওয়ার্কের জরিপের ফলাফল বিশ্লেষণকারী গবেষকেরা বলছেন, বাংলাদেশের সমাজ ও শাসনব্যবস্থায় ইসলামিক মূল্যবোধ ও চর্চার চাহিদা আছে।

বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাস ব্যাখ্যা করলে গবেষকদের সপক্ষে প্রমাণ মিলবে। ১৯৭২ সালের প্রবর্তিত সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা মূলনীতি হিসেবে গৃহীত হলেও বঙ্গবন্ধু বারবার এই বলে জনগণকে আশ্বস্ত করেন, ‘ধর্মনিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়।’ পরে জিয়াউর রহমান সংবিধানে যে ইসলামি মূল্যবোধ সংযোজন করেন তা জনগণ কর্তৃক ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়। প্রেসিডেন্ট এরশাদ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। বর্তমান সরকার ১৯৭২ সালের সংবিধানে ফিরে গেলেও বিষয়টির সংবেদনশীলতা স্বীকার করে রাষ্ট্রধর্ম বহাল রাখে। বর্তমান কর্মরত সব ইসলামি দলের একটি সাধারণ কর্মসূচি হলো শরিয়াহ আইন বাস্তবায়ন। বাংলাদেশের অতীতের রাজনীতিও ইসলামের সাথে সমন্বয়ের প্রয়াস বিধৃত। মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ইসলাম ও সমাজতন্ত্রের সমন্বয়ে ইসলামি সমাজতন্ত্রের কথা বলেছেন। অবশেষে হুকুমতে রাব্বানী বা আল্লাহর আইন কায়েমের চেষ্টা করেছেন। বামধারার রাজনীতির অন্যতম নেতা অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ ‘ ধর্ম কর্ম সমাজতন্ত্র’ বলে রাজনীতিতে ইসলামের আবেদন অনুমোদন করেছেন।

প্রকাশিত জরিপে যা প্রকাশিত হয়েছে এটি নিঃসন্দেহে একটি সাধারণ জনমত। তবে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্য নির্বাচনগুলোতে এর প্রতিফলন খুব কমই দেখা গেছে। বাংলাদেশে বিকশিত এবং ইতোমধ্যে বাধাপ্রাপ্ত দ্বিদলীয় ব্যবস্থা জরিপের মতামতকে পুরোপুরি অনুমোদন করে না। জনগণ গণতন্ত্রের প্রায়োগিকতা নিয়ে এই জরিপে প্রবল হতাশা ব্যক্ত করেছে, অথচ বারবার একই ধারায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। ২০১৪ সালের ভোটারবিহীন নির্বাচন এ ক্ষেত্রে বিবেচনাযোগ্য নয়। শরিয়াহ আইন প্রয়োগের মনোভাব একই প্রক্রিয়াদুষ্ট। ইসলামি দলগুলোর প্রতি ইতঃপূর্বে জনগণের প্রবল সমর্থন লক্ষ করা যায় না। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় এই যে, দুর্বল রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব, বিচারব্যবস্থার দুর্নীতি ও ক্রমহ্রাসমান মৌলিক অধিকারের উপলব্ধি থেকে মানুষ বিকল্প শাসনপদ্ধতি হিসেবে শরিয়াহ আইনকে দেখতে শুরু করেছে বলে প্রকাশিত গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়। তবে এ বিষয়ে আরো বড় ধরনের গবেষণা প্রয়োজন বলে মনে করেন গবেষকদ্বয়।

এটা অবশ্য একটি সাধারণ ধারণা যে, প্রচলিত বড় দু’টি রাজনৈতিক দল যদি দেশকে সুশাসন দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে অবশেষে ইসলামি দলগুলোর প্রতি মানুষের চূড়ান্ত সমর্থন প্রকাশিত হতে পারে। মজার ব্যাপার এই যে, শরিয়াহ আইনকে মানুষ এখন আর গণতন্ত্রের প্রতিবন্ধক মনে করছে না, বরং তারা মনে করছে দুটোই একসাথে চলতে পারে। রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা ঘটা করে গবেষণা করে ইসলাম ও গণতন্ত্রকে একে অপরের সহায়ক প্রমাণ করা কঠিন হবে। বিশেষ করে চরম ডান ও চরম বামরা যখন বিপক্ষে। তবে নীরবে নিভৃতে সবার অগোচরে স্বাভাবিকভাবে পৃথিবীর সব মুসলিম রাষ্ট্রে যে ক্রমেই বিবর্তন ঘটছে তা গণতন্ত্র ও ইসলামকে পরিপূরকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

গণতন্ত্র ও শরিয়াহ তথা ইসলামের সমন্বয়ের পথে সবচেয়ে বড় বাধা তথাকথিত গণতন্ত্রের পুঁজিতান্ত্রিক মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ এবং তার দেশজ এজেন্টরা। মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হলে গণতন্ত্রের নিজস্ব গতিতে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও জঙ্গিবাদ তিরোহিত হবে। পাশ্চাত্য মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র রফতানির নামে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে। অথচ যখন প্রকৃত গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটছে তখন তারা বিপদ গুনছে। এ যেন গাছের ডগায় পানি ঢেলে গোড়া কেটে দেয়া। এভাবে আলজেরিয়া, নাইজেরিয়া ও মিসরে গণতন্ত্রের সর্বনাশ সাধিত হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বেশির ভাগ মুসলিম দেশের সেনাবাহিনী মার্কিন কায়েমি স্বার্থবাদের ক্রীড়নক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

বাংলাদেশের সমাজ ও রাজনীতিকে বুঝতে এ ধরনের গবেষণা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রিসলভ নেটওয়ার্কের গবেষণার আগে এ ধরনের আরেকটি গবেষণাকর্ম পরিচালিত হয় ২০১১-১২ সালে। সে সময় পিউ রিসার্স সেন্টারের জরিপেও এসেছিল, বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে ৯২ শতাংশই শরিয়াহ আইনের পক্ষে। ওই জরিপে এ কথাও বলা হয়েছিল, ৮৮ জন প্রাকটিসিং মুসলিম বা ধর্ম পালনকারী মুসলমান শরিয়াহ আইন চান। নিয়মিত ধর্ম পালন করেন না, এমন লোকদের ৭৯ শতাংশ ব্যক্তি শরিয়াহ আইনের পক্ষে। ‘এসব গবেষণা থেকে আমরা গণতন্ত্র, শরিয়াহ আইন, সহিংস উগ্রবাদ- এসব বিষয়ে মানুষের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করতে পারি।’ বাংলাদেশ জাতিগোষ্ঠীর মতাদর্শিক দ্বন্দ্ব, বিভেদ ও সহিংসতা নিরসনে এ ধরনের গবেষণা সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। গবেষকদ্বয় সে ক্ষেত্রে পথপ্রদর্শকের কাজ করেছেন। জাতীয় স্বার্থে সংশ্লিষ্ট সবার এ ক্ষেত্রে আরো বাস্তবধর্মী গবেষণায় উদ্যোগী হওয়া উচিত।

লেখক : অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Comments

comments